• জিটিএ-তে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে সিবিআই, সুপ্রিম কোর্ট থেকে মামলা তুলল শুভেন্দু সরকার
    প্রতিদিন | ৩০ মে ২০২৬
  • গোর্খা টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন মাধ্যমে পাহাড়ে শিক্ষক নিয়োগেও বিপুল দুর্নীতি! সেই মামলার তদন্তেও এবার সিবিআইকে ছাড়পত্র দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পূর্বতন তৃণমূল সরকারের আমলে জিটিএতে (GTA) ৪০০ এরও বেশি শূন্যপদে অবৈধভাবে শিক্ষক নিয়োগ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। দুর্নীতির তদন্তে সিবিআইকে তদন্তেরও নির্দেশও দেয় কলকাতা হাই কোর্ট। কিন্তু আইনি জটিলতায় তদন্ত শুরু করতে পারেনি কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। কিন্তু রাজ্যে পালাবদলের পরে পাহাড়ে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআইকে ছাড়পত্র দিল শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। সুপ্রিম কোর্ট থেকে মামলা তোলার সিদ্ধান্ত। 

    আজ, শুক্রবার পাহাড়ের একাধিক ইস্যুকে সামনে রেখে নবান্নে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৈঠক শেষে সাংবাদিক বৈঠক থেকে শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, জিএটিএ নিয়ে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে পাহাড়ে শিক্ষক দুর্নীতি।  তিনি বলেন, ”প্রায় ৪০০ এরও বেশি শিক্ষককে অবৈধভাবে নিয়োগ করা হয়েছিল। কলকাতা হাই কোর্টে মামলা ছিল। সিবিআই তদন্তের নির্দেশ হয়েছিল। তদানীন্তন রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে এই মামলায় স্থগিতাদেশ দিয়ে রেখেছে।” কিন্তু এই মামলা থেকে এখন রাজ্য সরকার বেরিয়ে আসবে। আর সেই নির্দেশ ইতিমধ্যে তিনি মুখ্যসচিবকে দিয়েছেন বলেও এদিন জানান মুখ্যমন্ত্রী। ফলে পাহাড়ের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তের আর কোনও সিবিআইয়ের বাধা রইল না।

    বলে রাখা প্রয়োজন, জিটিএ আওতাধীন পাহাড়ে শিক্ষক নিয়োগ ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে চলছিল আইনি জটিলতা। অভিযোগ ছিল, সম্পূর্ণ নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বেআইনি নিয়োগ করা হয়। অভিযোগকারীদের দাবি ছিল, যোগ্যতা যাচাই না করেই নিয়োগ করা হয়েছে। মামলায় নাম জড়ায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়েরও। শুধু তিনিই নয়, বিনয় তামাং এবং তৃণমূল যুব নেতা তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধেও অভিযোগ ওঠে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)