• মেয়র সহ ৩০ জন কাউন্সিলরের পদত্যাগ, তৃণমূলের হাতছাড়া চন্দননগর পুরনিগম
    News18 বাংলা | ৩০ মে ২০২৬
  • রাজ্যে পালাবদলের পর একাধিক পুরসভায় তৃণমূল কাউন্সিলররা পদত্যাগ করেছেন৷ ফলে বেশ কয়েকটি পুরসভা তৃণমূলের হাতছাড়া হয়েছে৷ এবার রাজ্যের পুরনিগমগুলিতেও তৃণমূলের পুরবোর্ড ভাঙতে শুরু করল৷ শুক্রবার চন্দননগর পুরনিগমের মেয়র সহ ৩০ জন তৃণমূল কাউন্সিলর পদত্যাগ করলেন৷ ফলে ৩৩ ওয়ার্ড বিশিষ্ট চন্দননগর পুরনিগম তৃণমূলের হাতছাডা় হল৷

    বিধানসভা নির্বাচনে চন্দননগরেও পরাজিত হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস৷ চন্দননগর থেকে পরাজিত হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন৷ এর পরই টালমাটাল পরিস্থিতি তৈরি হল চন্দননগর কর্পোরেশনেও৷

    ৩৩ ওয়ার্ড বিশিষ্ট চন্দননগর কর্পোরেশনে তৃণমূলের ৩১ জন কাউন্সিলর ছিলেন। ২ জন ছিলেন সিপিএম-এর। শুক্রবার সকালে প্রথমে ৫ জন তৃণমূল কাউন্সিলর পদত্যাগ করেন।

    এর পর শুক্রবার রাতে তৃণমূলের আরও ২৫ জন কাউন্সিলর পদত্যাগ করেন৷ পুরনিগমের চেয়ারপার্সনের কাছে পদত্যাগ পত্র জমা দেন তাঁরা৷ নিয়ম অনুযায়ী চেয়ারপারসন পদত্যাগ পত্র কর্পোরেশনের কমিশনারের কাছে পৌঁছে দেবেন। ই মেল মারফত কমিশনারকেও পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দেন তাঁরা৷

    পদত্যাগ করে চন্দননগরের বিদায়ী মেয়র রাম চক্রবর্তী বলেন, ‘বিধানসভা নির্বাচনে আমাদের পরাজয় হয়েছে। মানুষের রায় মাথা পেতে নিয়েছি। তারপরেও ভেবেছিলাম পুরনিগমের পরিষেবা চালিয়ে যেতে পারবয। কিন্তু পুর ও নগর উন্নয়ন দফতর থেকে নির্দেশ দেওয়া হল পুরসভার খরচের অডিট হবে। অর্থনৈতিক স্বাধীনতাও থাকল না। সামান্য চায়ের খরচ, গাড়ির তেলের খরচ সেগুলি আমরা পাচ্ছিলাম না। নাগরিকদের পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হবে মনে করে কয়েকদিন অপেক্ষার পর আমরা পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিলাম। যদি কোনও কাজই না করতে পারি তাহলে চেয়ার আগলে বসে থাকার কোন মানে হয় না। নাগরিকদের কাছে আমাদের জবাব দিতে হবে। তাই এই সিদ্ধান্ত। আমাদের পদত্যাগ করার জন্য কেউ জোর করেনি। নতুন সরকার তৈরি হয়েছে, আশা করি তারা মানুষের পরিষেবার দিকে নজর দেবেন। চন্দননগর খুব সুন্দর একটি শহর। সবাই মিলে এই শহরকে রক্ষা করতে হবে। নির্বাচনে জয় পরাজয় থাকবে।’
  • Link to this news (News18 বাংলা)