• 'ভয়েই পদত্যাগ করে পালাচ্ছেন', বিঁধলেন দিলীপ ঘোষ
    আজকাল | ৩১ মে ২০২৬
  • মিল্টন সেন, হুগলি: কৃষি বিপণন দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করলেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। শনিবার বৈদ্যবাটি দিল্লি রোডে সংলগ্ন নেতাজি সুভাষ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এগ্রিকালচার মার্কেটিংয়ের দপ্তরে কৃষি বিপণন দপ্তরের বিভিন্ন জেলার আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন মন্ত্রী। 

    তৃণমূলের প্রশাসনিক পদ থেকে পদত্যাগ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, "যাঁরা লুট করে ভোট জিতেছেন, তাঁরা সাধারণ মানুষের ভয়ে পদত্যাগ করে পালিয়ে যাচ্ছেন। প্রথমে ভোট লুট করেছেন, তারপর টাকা লুট করেছেন। অনেক কাউন্সিলর, পঞ্চায়েত প্রধান অফিসে যাচ্ছেন না। সে ক্ষেত্রেও বিকল্প ভাবা হচ্ছে। যদি কেউ পদত্যাগ করেন, তাহলে সেখানে নির্বাচন হবে। আর কেউ যদি কাজ না করেন, তাহলে তাঁদেরকে বাদ দিয়ে কীভাবে ডেভেলপমেন্টের কাজ হবে সেই বিকল্প ভাবা হচ্ছে।" 

    বৈঠক শেষে মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, "বিভিন্ন জেলার আধিকারিকেরা উপস্থিত ছিলেন। বহু জায়গায় সরকারি গোডাউন স্টল থেকে শুরু করে সবকিছুই রয়েছে। কিন্তু তার মধ্যে বেশিরভাগ গুলোই অব্যবহৃত অবস্থায় রয়েছে। অধিকাংশ জায়গায় থাকা গোডাউনের ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ অব্যবহৃত। বেকার যুবকদের, সেল্ফ হেল্প গ্রুপের মহিলাদের বলব আপনারা এখানে এসে ব্যবসা করুন।" 

    তিনি আরও বলেন, "সার্বিকভাবে এগ্রিকালচার মার্কেটিংয়ের কাজ যাতে সুস্থভাবে চলে তা নিয়ে বৈঠক হল। এখানে মূল কাজ গ্রামের চাষীদের কাছ থেকে সরাসরি সবজি ইত্যাদি কিনে তা মার্কেটিং করা এবং সুফল বাংলায় তা বিক্রি করা। কিন্তু এই কাজ এতদিন সফলভাবে হয়নি। সেগুলোকে আপডেট করার চেষ্টা হচ্ছে। যাতে আরও বেশি মানুষকে এর সঙ্গে যুক্ত করা যায়। আরও সুফল বাংলার স্টল বাড়ানো যায় সেটা দেখা হবে।" 

    দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, "এতদিন আলু বিক্রিতে বাধা ছিল। বিনা কারণে আগের সরকার আলু আটকে রাখতো। সেটা আমরা প্রথমেই তুলে দিয়েছি। এতে মালিকরা খুশি হয়েছেন। জুন মাস থেকে কোল্ড স্টোরেজগুলো সব খুলবে। এবার প্রচুর আলু চাষ হয়েছে। যদি অন্য রাজ্যে এই আলু না যায় বা বিদেশে না পাঠানো হয় তাহলে আলু চাষীদের ক্ষতি হবে। সেটা যাতে না হয় এবং এই আলু যাতে প্রপার ইউজ হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা হয়েছে। এই আলু যাতে বাই রোড তাঁরা নিয়ে যেতে পারেন এবং ট্রেনেও যদি নিয়ে যেতে চান, তা যাতে সম্ভব হয় সেই বিষয়েও কথা বার্তা চলছে।" 

    মন্ত্রীর দাবি, "আগে চাষীরা ফসলের দাম পেতেন না। এখন তারা দাম পাচ্ছেন। রাজ্যের বেশিরভাগ বাজারে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। বাজারগুলিকে সুন্দর করে তোলা হবে। যাতে সাধারণ মানুষ বাজার করতে আসতে পারেন। চা খেতে পারেন। সেই পরিবেশ গড়ে তোলা হবে।" 

    ছবি: পার্থ রাহা
  • Link to this news (আজকাল)