• স্ত্রীর লাগাতার অত্যাচার, হেনস্তা করে শাশুড়িও! রেহাই পেতে স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন ‘নির্যাতিত’ ব্যক্তির
    প্রতিদিন | ৩১ মে ২০২৬
  • দিনের পর দিন ধরে অত্যাচার চালাচ্ছেন স্ত্রী। কখনও বাক্যবাণে জর্জরিত করেন, কখনও ধেয়ে আসে শারীরিক আক্রমণ। শুধু স্ত্রী নন, লাগাতার হেনস্তা করেন শাশুড়িও। দুর্বিষহ হয়ে ওঠা এই জীবন আর সহ্য করতে পারেননি গুজরাটের বাবুভাই প্যাটেল। জেলা প্রশাসনের কাছে সটান নিষ্কৃতিমৃত্যুর আবেদন ঠুকে দিয়েছেন তিনি। স্পষ্ট জানিয়েছেন, জীবন বয়ে বেড়ানো তাঁর পক্ষে আর সম্ভব নয়।

    সম্প্রতি শয্যাশায়ী হরিশ রানাকে নিষ্কৃতিমৃত্যুর অনুমতি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তারপরেই জীবন থেকে মুক্তি পেতে চেয়ে জেলাশাসকের কাছে আবেদন করেছেন সুরাটের বাসিন্দা বাবুভাই। তাঁর মূল অভিযোগ স্ত্রী মণিকা চৌহান, শাশুড়ি তারাবেন এবং শ্যালক দীপকের বিরুদ্ধে। নানা মিথ্যা অভিযোগে এই তিনজন মিলে বাবুভাইকে হেনস্তা করছেন, এমনটাই দাবি করেছেন তিনি। এখানেই শেষ নয়। বাবুভাইয়ের আগের পক্ষের সন্তানকে খুনের চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ আনেন তিনি।

    ১২ বছরের পুত্রকে শ্বাসরোধ করে খুনের চেষ্টা করছে স্ত্রী, এই অভিযোগ নিয়ে জেলাশাসকের কাছে গিয়েছিলেন বলেও দাবি বাবুভাইয়ের। কালেক্টরের দপ্তর থেকে বাবুভাইকে পাঠানো হয় পুলিশের কাছে। পুলিশের তরফ থেকে বলা হয়, মণিকার বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের করা হবে। কিন্তু আশ্বাস দেওয়ার পরেও মণিকার বিরুদ্ধে এফআইআর হয়নি। বাবুভাইয়ের মতে, তিনি পুরুষ বলেই তাঁর অভিযোগে কর্ণপাত করেনি পুলিশ। উল্লেখ্য, এটি বাবুভাইয়ের চতুর্থ বিয়ে। প্রথম বিয়েতে তাঁর একটি পুত্র ছিল।

    স্থানীয় পুলিশের দাবি, মণিকা এবং বাবুভাইয়ের মধ্যে সমস্ত কিছু মিটমাট করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বহুবার। কিন্তু লাভ হয়নি। পরে মণিকা বাপের বাড়ি চলে যান এবং গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ দায়ের করেন। ডিভোর্স এবং খোরপোশ চেয়ে মামলাও দায়ের করেন। এতসব অভিযোগের পাহাড় মাথায় নিয়ে বাবুভাইয়ের আবেদন, তাঁকে জীবন থেকে নিষ্কৃতি দেওয়া হোক। এই মর্মে তিনি জেলাশাসকের কাছে আবেদন জানিয়েছেন।
  • Link to this news (প্রতিদিন)