জানা গিয়েছে, সরকারি জায়গার উপরে মোট ২৭টি দোকানঘর ছিল। এর ফলে হাসপাতালে আসা রোগী ও তাঁদের পরিবারের লোকজনকে সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছিল বলে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। যে কারণে সেসব সরানোর জন্য সাত দিনের নোটিশ দিয়েছিল নন্দীগ্রাম ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতি। দোকনদাররা নিজেরা না সরালে ইদের পর অবৈধ নির্মাণ ভেঙে ফেলা হবে বলে আগেই ঘোষণা করেছিলেন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শ্যামল সাউ। শনিবার সকাল জেলা হাসপাতাল চত্বরে নামল বুলডোজার। কড়া পুলিশি ঘেরাটোপে হাসপাতাল চত্বরে থাকা বিভিন্ন দোকানঘর ভেঙে কাঠামো সরিয়ে দেওয়া হয়।