হাওড়া গ্রামীণে তোলাবাজি ও দাদাগিরির অভিযোগ, ঘাসফুলের শ্রমিক নেতা ধৃত
বর্তমান | ৩১ মে ২০২৬
সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: তোলাবাজি, দাদাগিরি, হুমকি সহ একাধিক অভিযোগে দীপঙ্কর ঘোষ ওরফে দীপু নামের এক তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তার করল উলুবেড়িয়া থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে, দীপু তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের হাওড়া গ্রামীণ জেলার নেতা। শুক্রবার বীরভূমের তারাপীঠ থেকে এই তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ধৃতের বিরুদ্ধে পুলিশ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে। তাঁকে শনিবার উলুবেড়িয়া আদালতে তোলা হলে বিচারক পাঁচদিনের পুলিশ হেপাজতের নির্দেশ দেন। অভিযোগ, দীপঙ্কর ঘোষের নামে এলাকায় দাদাগিরি, তোলাবাজির পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এমনকি, ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে বীরশিবপুর শিল্প তালুকে থাকা একাধিক সংস্থা থেকেও টাকা তোলার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, গত বছরের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে এই শিল্পতালুকের দু’টি সংস্থা হাওড়া জেলা শিল্প দপ্তরের তা নিয়ে এতদিন পুলিশ নাড়াচাড়া না করলেও পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নড়েচড়ে বসেছে। ওই অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে তাঁকে। ভোটের ফল প্রকাশের পর বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল নেতাদের ধরপাকড় শুরু হতেই দীপু বীরভূমে গা ঢাকা দিয়েছিলেন।
এদিকে, শুক্রবার বাগনান ২ নম্বর ব্লকের শরৎ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য মানস নায়েকের কার্যালয় থেকে প্রচুর সরকারি নথি উদ্ধারের ঘটনায় হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েছিল তাঁর পরিবার ও গ্রামবাসীরা। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছালে তাঁদের হেনস্তা পর্যন্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় শুক্রবার বাগনান থানার পুলিশ পঞ্চায়েত সদস্যর স্ত্রী বন্দনা নায়েক, শ্বশুর নরেন নায়েক ও শাশুড়ি স্বপ্না নায়েককে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতদের শনিবার উলুবেড়িয়া আদালতে তোলা হলে বিচারক নরেন নায়েককে পাঁচদিনের পুলিশ হেপাজত এবং বন্দনা ও স্বপ্না নায়েককে ১৪ দিনের জেল হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।