অভিষেকের উপর হামলার প্রতিবাদ দলের নেতারাই করছেন না কেন? প্রশ্ন তুলে কটাক্ষ কুণালের
আজ তক | ৩১ মে ২০২৬
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার ঘটনার পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে দলেরই একাংশের প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, এই ঘটনার জাতীয়স্তরের বহু নেতা প্রতিবাদ করেছেন। অথচ দলেরই সাংসদ, বিধায়কদের একটা বড় অংশকে দেখা যাচ্ছে না ডায়মন্ডহারবারের সাংসদের পাশে।
তিনি দাবি করেছেন, আজ তৃণমূল কংগ্রেস যদি রাজ্যে ক্ষমতায় থাকতো তাহলে সেই সাংসদ, বিধায়ক বা প্রাক্তন পদাধিকারীদের চেহারা অন্যরকম থাকত। তবে এখন তাঁরা নীরব। তিনি কটাক্ষ করেন, অনেকে তো অভিষেককে দাদা, অনুগামী বা বস বলতেন। তাঁরাও নেই।
কুণাল ঘোষ রবিবার সকালে ফেসবুকে লেখেন, 'অভিষেকের উপর হামলার প্রতিবাদে অন্য দলের জাতীয়স্তরের নেতাদের পোস্টও দেখলাম। কিন্তু আমাদের দলের বহু সাংসদ, বিধায়ক, কাউন্সিলর, পদাধিকারী, প্রাক্তন সরকারি পদাধিকারীদের পোস্ট নজরে পড়ল না। অথচ সরকারটা তৃণমূলের থাকলে এঁদেরই অনেকের বোলচাল অন্যরকম হত। কারা দলের মঞ্চ ভাঙিয়ে নিজের কাজ করে গেল, এখন বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে না। দাদা, অনুগামী, বস্, ভিডিও, সেলফি- এদের একাংশ কোথায়?'
শনিবার সোনারপুরে নিহত দলের কর্মীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে যান অভিষেক। রাস্তায় তাঁকে জনরোষের মুখে পড়তে হয়। রাস্তায় ফেলে কিল-চড়-ঘুষি মারা হয় তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ডকে। গায়ে ছোড়া হয় একের পর এক ডিম। তার জেরে আক্রান্ত হন তিনি।
তাঁকে চিকিৎসার জন্য প্রথমে নিয়ে যাওয়া হল অ্যাপোলো হাসপাতালে। পরে বেলভিউতে। তবে ভর্তিই নেয়নি ২ নামী হাসপাতাল। দরকার নেই অ্যাডিমশনের, বুকে আঁচড় ছাড়া, গুরুতর আঘাতের চিহ্ন মেলেনি। পর্যবেক্ষণ চিকিৎসকদের।
এদিকে ঘটনায় চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ক্ষোভপ্রকাশ করেন মমতা। তাঁর দাবি, ইচ্ছেকৃতভাবে, বিজেপি নেতাদের ভয়ে অভিষেককে হাসপাতালে ভর্তি নেওয়া হয়নি। সবটাই গেরুয়া শিবিরের চক্রান্ত। এদিকে এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগ নেই বলে দাবি করেছেন খোদ রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। ঘটনার নিন্দাও করেন তিনি।