মহারাষ্ট্রে ‘লড়কি বহিন যোজনা’ পাবেন না ৮০ লক্ষ মহিলা, কোন যুক্তিতে নাম বাদ? জানাল সরকার
প্রতিদিন | ৩১ মে ২০২৬
মহারাষ্ট্রে ‘লড়কি বহিন যোজনা’র ভবিষ্যৎ নিয়ে চাপানউতোরের মাঝেই সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যাচ্ছে, মহিলাদের আর্থিক সহায়তার উদ্দেশে চালু হওয়া এই প্রকল্প থেকে বাদ পড়েছেন প্রায় ৮০ লক্ষ মহিলা। পাশাপাশি সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, প্রকল্প চালু থাকলেও নতুন করে ই-কেওয়াইসি (e-KYC)র সময়সীমা বাড়ানো বা নতুন সুবিধাভোগী যুক্ত করার কোনও পরিকল্পনা আপাতত সরকারের নেই।
লেড়কি বহিন যোজনার মাধ্যমে মহারাষ্ট্রে মহিলাদের মাসে ১৫০০ টাকা করে দিত সেখানকার এনডিএ সরকার। প্রকল্পের সুবিধাভোগী ছিলেন রাজ্যের ২.৪৬ কোটি মহিলা। তবে প্রায় ৮০ লক্ষ মহিলার নাম বাদ পড়ার পর বর্তমানে সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে ১.৬৬ কোটি। অযোগ্য সুবিধাভোগীদের চিহ্নিত করতে নতুন করে নথি যাচাই ও ই-কেওয়াইসি চালু করেছিল সরকার। ই-কেওয়াইসি-র মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়ার পর সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, যে মহিলাদের ই-কেওয়াইসি অসম্পূর্ণ রয়েছে তাঁরা আর আবেদন করতে পারবেন না।
সরকারের এক ঊর্ধ্বতন কর্তা জানিয়েছেন, “ই-কেওয়াইসি-র সময়সীমা বাড়ানোর কোনও পরিকল্পনা সরকারের নেই। সুবিধাভোগীদের প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করার জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়েছিল। তাছাড়া, বর্তমানে নতুন সুবিধাভোগী যুক্ত করার বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।” সরকারি রিপোর্ট বলছে, অযোগ্যদের বাদ দেওয়ার যে উদ্যোগ সরকার নিয়েছিল তার জেরে ৮০ লক্ষ অযোগ্য নাম বাদ পড়েছে। যাদের নাম বাদ পড়েছে তাঁদের বেশিরভাগই ভুল নথি বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। বহু ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে আয় বেশি থাকা সত্ত্বেও নেওয়া হচ্ছে প্রকল্পের সুবিধা। এই সব নামই বাদ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে বাংলায় সরকার বদলের পর মহিলাদের আর্থিক সহায়তামূলক প্রকল্প নিয়ে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূল জমানায় চলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ করে চালু হচ্ছে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার। যেখানে ইতিমধ্যেই সাড়ে ৫ লক্ষ জনকে অযোগ্য বলে ঘোষণা করা হয়েছে। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নেওয়ার জন্য ১৩ পাতার ফর্ম দেওয়া হয়েছে মহিলাদের। যেখানে পরিবারের আয়ের পাশাপাশি বহু তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে। এই ফর্ম নিয়েও ক্ষোভ বাড়ছে রাজ্যে।