• সরকারি ত্রাণসামগ্রী ‘চুরি’, উদ্ধার শয়ে শয়ে সাদা থান! বনগাঁয় গ্রেপ্তার তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য-সহ ২
    প্রতিদিন | ৩১ মে ২০২৬
  • সরকারি ত্রাণের কয়েকশো ত্রিপল, কাপড়, চাদর বেআইনিভাবে আত্মসাৎ করে মজুত করার অভিযোগে তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য ও তাঁর আত্মীয়কে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। এছাড়াও উদ্ধার করা হয়েছে প্রচুর সাদা থান। বিজেপির অভিযোগ, ছাব্বিশের নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস জিতলে বিজেপি কর্মীর বাড়ির বউদের এই সব থান পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল। উত্তর কালোপুর পঞ্চায়েতের হানিডাঙা এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে।

    তৃণমূলের ওই পঞ্চায়েত সদস্যের নাম শংকর মণ্ডল। তাঁর বাড়ি থেকে প্রায় ১০০টি ত্রিপল উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি শংকরের আত্মীয় নারায়ণ মণ্ডলের বাড়ি, কলাবাগান, চাষের জমি থেকে কয়েকশো ত্রিপল, কাপড়, চাদর উদ্ধার করে স্থানীয় বাসিন্দারা ৷ এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, সরকারি ত্রাণসামগ্রী থেকে সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত করেছেন ওই তৃণমূল নেতা। সেই সব সামগ্রী ‘চুরি’ করে নিজের এবং আত্মীয়ের বাড়িতে মজুত করে রাখা হয়েছিল। যদিও আত্মসাতের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন শংকর মণ্ডল। তিনি জানান, বনগাঁ পৌরসভার তৃণমূল কাউন্সিলরের কাছ থেকে ত্রিপল এনেছিলেন। বর্ষার সময় সাধারণ মানুষকে ত্রিপল পৌঁছে দিতেই এই সব ত্রাণ সামগ্রী মজুত করা হয়েছিল বলে দাবি ধৃতের।

    বিজেপির অভিযোগ, এই সব ত্রাণের সামগ্রী মজুত করে বিক্রি করার পরিকল্পনা করেছিলেন অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্য। বোর্ড ভেঙে যেতে পারে এই আশঙ্কাতেই রাতের অন্ধকারে ত্রিপল সরানোর কাজ করছিলেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য। পঞ্চায়েতের বিজেপির বিরোধী দলনেতা জানান, বন্যার ত্রাণের ত্রিপল বাড়ি, চাষের জমিতে মজুত করে রাখা হয়েছে। বিরোধীরা পঞ্চায়েতে ত্রিপল নিতে গেলে বলা হয় ত্রিপল আসেনি। সাধারণ, গরিব মানুষরা ত্রিপল পাচ্ছে না। আর তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে ত্রিপল পাওয়া যাচ্ছে। তিনি আরও জানান, শয়ে শয়ে সাদা থান কাপড় উদ্ধার করা হয়েছে। ছাব্বিশের নির্বাচনে বিজেপি হেরে গেলে এলাকার বিজেপি নেতাদের বাড়ির বউদের সাদা থান পরানোর পরিকল্পনা করেছিল তৃণমূল।
  • Link to this news (প্রতিদিন)