• বিপদ আঁচ করে অভিষেককে সোনারপুরে যেতে বারণ করেছিলেন তৃণমূল নেতা? চাঞ্চল্যকর দাবি ধৃত নেতার স্ত্রীর
    News18 বাংলা | ০১ জুন ২০২৬
  • পরিস্থিতি ভাল নয়৷ তাই আগে থাকতেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সোনারপুরে না আসার পরামর্শ দিয়েছিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা জয় সেনগুপ্ত৷ ঘটনাচক্রে অভিষেককে মারধরের ঘটনায় স্থানীয় এই তৃণমূল নেতাকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷ যদিও ধৃতেরল স্ত্রীর দাবি, অভিষেককে মারধরের ঘটনায় কোনও ভাবেই যুক্ত নন জয়৷

    সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হামলার ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷ তাঁদের মধ্যে অন্যতম জয় সেনগুপ্ত৷ এ দিন আদালতে তোলার সময় অবশ্য জয় সেনগুপ্ত অভিষেককে মারধেরর কথা অস্বীকার করেছেন৷ জয়ের দাবি, ১৯৯৮ সাল থেকে তিনি তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত৷ ফলে অভিষেককে মারার প্রশ্নই ওঠে না৷ জয়ের বরং দাবি, সোনারপুরে যাওয়ার আগে অভিষেকই তাঁকে ফোন করেছিলেন৷

    জয় সেনগুপ্তের স্ত্রী শ্রীপর্ণা সেনগুপ্তের দাবি, সম্পূর্ণ মিথ্যা কারণে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁর স্বামীকে। গতকালের ঘটনার সঙ্গে জয় সেনগুপ্ত কোনওভাবেই যুক্ত নন বলে দাবি তাঁর স্ত্রীর৷ শ্রীপর্ণাদেবীর আরও দাবি, সোনারপুরের কামরাবাদে যেখানে মৃত দলীয় কর্মীর বাড়িতে অভিষেক শনিবার এসেছিলেন, সেখানে আগে থেকেই জমায়েত হয়েছিল৷ তাই গন্ডগোলের আঁচ করে সোনারপুরে পৌঁছনোর ঘণ্টাখানেক আগেই জয় সেনগুপ্ত অভিষেককে এলাকায় না আসার পরামর্শ দিয়েছিলেন বলে দাবি তৃণমূল নেতার স্ত্রীর৷

    যদিও ধৃত তৃণমূল নেতার স্ত্রীর দাবি, অভিষেক তাঁর স্বামীকে বলেন যে বর্তমান পরিস্থিতিতে কর্মীদের পাশে থাকতে হবে৷ তাই জয় সেনগুপ্তের পরামর্শ উপেক্ষা করেই সোনারপুরে পৌঁছন অভিষেক৷ সেখানে পৌঁছনো মাত্রই তাঁর উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ে ক্ষিপ্ত জনতা৷

    অভিষেককে লক্ষ্য করে ইট, ডিম, জুতো ছোড়ার পাশাপাশি তাঁকে মারধরও করা হয়৷ ছিঁড়ে যায় অভিষেকের জামা৷ কোনওক্রমে মৃত দলীয় কর্মী সঞ্জু কর্মকারের বাড়িতে পৌঁছন অভিষেক৷ শেষ পর্যন্ত পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে ঘটনাস্থল ছাড়েন অভিষেক৷
  • Link to this news (News18 বাংলা)