• অ্যাম্বুল্যান্স ঢোকে না, ভরসা কোল! নাড়াগোহালিয়ার সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ২০ বছরের বেহাল রাস্তার হাল কি এবার ফিরবে?
    News18 বাংলা | ০১ জুন ২০২৬
  • : গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য কেন্দ্র, এলাকার জরুরী পরিস্থিতি থেকে শিশু ও গর্ভবতী মহিলার শারীরিক চিকিৎসা, টিকাকরণ সব কিছুই নির্ভর করে এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপর, কিন্তু এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যাওয়ার একমাত্র রাস্তার অবস্থা বেহাল। হাঁটু সমান কাঁদা পেরিয়ে একপ্রকার বাধ্য হয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে শিশু, গর্ভবতী মহিলা থেকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের নার্স ও আশাকর্মীদের। এমনকি অ্যাম্বুল্যান্স, ছোট চারচাকা গাড়ি তো দূরের কথা ঢুকতে পারে না টোটোও। ফলে চরম সমস্যায় স্থানীয়রা।

    গ্রামবাসী শেখ শাহানারা বলেন, প্রায় ২০ বছর ধরে রাস্তার এই একই অবস্থা। বারবার বিভিন্ন মহলে জানিয়েও কোনও সুরাহা হয়নি। গ্রামের কেউ অসুস্থ হলে বা গর্ভবতী মহিলা সকলকেই যাতায়াত করতে হয় এই রাস্তা দিয়ে। অনেক সময় তারা পড়েও যান। অ্যাম্বুল্যান্স তো দূরের কথা, কোনও প্রকার গাড়ি ঢোকে না এই রাস্তায়। কেউ অসুস্থ হলে তাকে কোলে করে তুলে নিয়ে যেতে হয়। এমনকি মাঠপাড়া এলাকার ছেলেমেয়েরা জল কাদার পেরিয়ে স্কুলেও যায় এই রাস্তা দিয়েই।আরেক বাসিন্দা বলেন, “আমরা শুধু এটাই চাই এই রাস্তাটা যাতে ঠিক করে দেওয়া হয়। কারণ দীর্ঘদিন ধরেই এই একই অবস্থায় রয়েছে রাস্তাটি। যাতায়াত করা আমাদের কাছে দুঃস্বপ্নের মতো মনে হয়।”

    বর্ধমান এক নম্বর ব্লকের নাড়াগোহালিয়া গ্রাম। এই গ্রামের মাঠ পাড়াতেই গড়ে উঠেছে সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র। বর্ধমান-নবদ্বীপ রোড থেকে এই সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রে যাওয়ার কাঁচা রাস্তা বেহাল। শীতকাল তো ঠিক আছে, বৃষ্টি হলে আর রেহাই নেই। দেখে বোঝার উপায় নেই ধানের জমি, পুকুর নাকি রাস্তা। জল কাঁদায় পথচলা দায়। নাড়াগোহালিয়া সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রে যাতাযাত যেন স্থানীয়দের কাছে এক দুঃস্বপ্ন। এই সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য প্রায় এক কিমি একমাত্র রাস্তার অবস্থায় বেহাল।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এই বেহাল রাস্তার কথা বিভিন্ন স্তরে বলেও কোনও সুরাহা হয়নি। তাই একপ্রকার বাধ্য হয়ে হাঁটু সমান কাঁদা পেরিয়ে অসুস্থ রোগী থেকে গর্ভবতী মহিলা এমনকি নার্স ও আশাকর্মীদেরও যাতায়াত করতে হচ্ছে। উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের আশাকর্মী তপতী ঘোষ জানান, “অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র। কিন্তু তার যাতায়াতের পথ একেবারে বেহাল। জল কাদা পেরিয়ে কোনও রকমে আমরা যাতাযাত করলেও সমস্যায় পড়তে হয় অসুস্থ রোগী থেকে গর্ভবতী মায়েদের।”
  • Link to this news (News18 বাংলা)