পঞ্চায়েত সদস্যার দোকান থেকে গুচ্ছের আধার-প্যান কার্ড উদ্ধার
বর্তমান | ০১ জুন ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: দত্তপুকুরে ফের নথি উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। শনিবার সন্ধ্যায় দত্তপুকুর ১ নম্বর পঞ্চায়েতের নিবাধুই পূর্বপাড়ায় তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যার দোকান থেকে উদ্ধার হয়েছে একগুচ্ছ আধার ও প্যান কার্ড। এই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৩০ নম্বর বুথ এলাকার পঞ্চায়েত সদস্যা অর্পিতা হালদারের মুদিখানার দোকান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অভিযোগ ছিল। যদিও সেটি ইদানীং বন্ধ। এদিন স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্যোগ নিয়ে দোকান খুলে উদ্ধার করেন একগুচ্ছ আধার ও প্যান কার্ড। উদ্ধার হওয়া নথিগুলির মধ্যে একজনের পরিচয় জানা গিয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
ঘটনার পরেই সরব হয়েছে বিজেপি। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, এই দোকানকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধভাবে পরিচয়পত্র তৈরির কারবার চলত। বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে আধার কার্ড, রেশন কার্ড, প্যান কার্ড সহ বিভিন্ন সরকারি নথি তৈরি করে দেওয়া হতো। এই চক্রের সঙ্গে পঞ্চায়েত সদস্যা অর্পিতা হালদার এবং তাঁর স্বামী দীপঙ্কর হালদার জড়িত বলে অভিযোগ। উল্লেখ্য, এর আগেও দত্তপুকুরের জয়পুল এলাকায় তৃণমূলের একটি পার্টি অফিস থেকে বিপুল সংখ্যক আধার কার্ড, ভোটার কার্ড ও রেশন কার্ড উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের পঞ্চায়েত সদস্যার দোকান থেকে সরকারি নথি উদ্ধারের ঘটনায় নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। অভিযুক্ত অর্পিতা হালদার বলেন, অভিযোগ মিথ্যা। স্থানীয়দের কেউ কেউ আমার দোকানের ঠিকানা দিতেন কার্ড রাখার জন্য। পোস্ট অফিস থেকে তাই এগুলি আমার দোকানে রেখে যেতেন ডাক কর্মী। কারও অবৈধ কার্ড তৈরি হয়নি। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। -নিজস্ব চিত্র