অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম সামনে আসতেই নানা প্রশ্ন শুরু হয়েছিল। ১২ পাতার ফর্ম ফিলআপ করতে হবে সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে এত তথ্য কেন দিতে হবে? সেই বিষয়টি নিয়ে এ বার মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলনে বিষয়টি স্পষ্ট করেন তিনি।
রাজ্যে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প চালু রয়েছে। সেখান থেকেই ধীরে ধীরে অন্নপূর্ণা যোজনায় কনভার্ট করা হচ্ছে। সেটা করতে গিয়েই সামনে এসেছে যে, বিপুল সংখ্যক ভুয়ো অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ভাতার টাকা গিয়েছে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের তথ্যে একাধিক গরমিল রয়েছে বলেও অভিযোগ। ভুয়ো অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা আত্মসাৎ করা হচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, বহু পুরুষ লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পেয়েছেন। তাঁর হুঁশিয়ারি, কাওকে ছাড়া হবে না। আর্থিক তছরূপ সংক্রান্ত অভিযোগও আনা হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। শুভেন্দুর অভিযোগ, ‘এখন পর্যন্ত ২২টা ভুয়ো অ্যাকাউন্ট পাওয়া গিয়েছে, যেখানে পুরুষরা টাকা নিয়েছেন। এই অ্যাকাউন্ট আরও কত হবে জানি না।’
মুখ্যমন্ত্রীর কটাক্ষ, এতদিন যাঁরা এই ফর্ম নিয়ে নানা কথা বলছিলেন। তাঁরাও এ বার লাইন দিচ্ছেন ফর্ম ফিলআপের জন্য।
মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস, ‘উচিত প্রাপকরা সবাই পাবেন, কেউ তাড়াহুড়ো করবেন না।’ SIR-এ যাঁরা বাদ গিয়েছে কিন্তু সিএএ-তে আবেদনকারী, তাঁদেরও সমস্যা হবে না বলে আশ্বাস। কিন্তু যাঁরা দেশের ভোটারই নয়, তাঁরা কেন সামাজিক ভাতা পাবেন? প্রশ্ন মুখ্যমন্ত্রীর। অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা থাকে সঠিক প্রাপকদের কাছে পৌঁছয়, যোগ্য ব্যক্তিরাই যাতে এই সাহায্য পায়, তা নিশ্চিত করার জন্য সব পদক্ষেপ করা হবে বলে বার বার জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
আগেই সামনে এসেছিল অন্নপূর্ণা যোজনার অফলাইন ফর্ম। সোমবার থেকে অন্নপূর্ণা যোজনা অনলাইন ফর্ম ফিলআপ শুরু হয়েছে।