আজকাল ওয়েবডেস্ক: লেকটাউন থেকে সরিয়ে দেওয়া হল মেসির মূর্তি। লেকটাউনের মোড়ে ৪৪ ফুটের লিওনেল মেসির মূর্তি ঘিরে বেশ কয়েকদিন ধরেই টানাপোড়েন চলছিল।
এদিন সকাল থেকে পূর্ত দপ্তরের আধিকারিকরা মেসির মূর্তিটিকে সরানোর ব্যবস্থা করেন। অবশেষে সামান্য বেলার দিকে তুলে নেওয়া হয় মেসির মূর্তিটিকে। অত বড় মূর্তিটিকে নামানো বিশাল চ্যালেঞ্জ ছিল।
প্রায় ৪ ঘণ্টার চেষ্টায় সেটিকে অবশেষে নামানো হয়। সেটিতে ট্রেলারে করে ভিআইপি রোড দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। মূর্তিটা যে ধাতু দিয়ে তৈরি ছিল, বিশেষজ্ঞরা জানান সামান্য আঘাত লাগলেই তাতে ফাটল দেখা দিতে পারে।
সে কারণে খুবই সাবধানতার সঙ্গে মূর্তিটিকে নামান আধিকারিকরা। আগেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, সোমবারই ভাঙা হচ্ছে লেকটাউনে মেসির মূর্তি। ইতিমধ্যেই মূর্তি ভাঙার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে।
দু'টি হাইড্রোলার-সহ বেশ কয়েকটি গাড়ি নিয়ে আসা হয়। ছিলেন পূর্ত দপ্তরের কর্মী ও লেকটাউন থানার পুলিশ। যেহেতু মূর্তিটি বিপদজনক অবস্থায় ছিল, তাই সেটি ভাঙার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেই খবর।
লেকটাউনে প্রখ্যাত ফুটবলার মেসির স্ট্যাচু ঘিরে একাধিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। গত বছরের ডিসেম্বরে কলকাতা সফরে এসে নিজের মূর্তি উদ্বোধন করেছিলেন স্বয়ং লিওনেল মেসি।
পাশে ছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকল মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা সুজিত বসু। সম্প্রতি পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারপরই মেসির ওই মূর্তি ভাঙার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
প্রথমে তা সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হলেও সম্ভব হয়নি। তখন পূর্ত দপ্তরের কর্মীরা গিয়ে মূর্তিটিকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখেন। কিন্তু, হাওয়া দিলেই মূর্তিটি দুলে উঠছে। ৪৪ ফুটের মূর্তিটি যেকোনও সময়েই ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা।
ওই অবস্থায় আতঙ্ক ছড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে। এরপরই মূর্তিটির কোমরের নীচ থেকে মোটা নাইলনের দড়ি দিয়ে চারদিকে থাকা মজবুত স্ট্রাকচারের সঙ্গে বাঁধা হয়।
এছাড়া অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মূর্তির পিছনের দিকের রাস্তা ব্যারিকেড দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মূর্তির সামনে, মাঠের অংশকেও বাঁশের ব্যারিকেড করে দেওয়া আছে।