• ৭ লাখ নগদে কী হয়, গাড়িও চাই! বিয়ের একবছরের মধ্যেই রহস্যমৃত্যু ইনফ্লুয়েন্সারের
    প্রতিদিন | ০১ জুন ২০২৬
  • তিশা শর্মার মৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্য দেশজুড়ে। বারবার উঠে আসছে পণের দাবি ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ। সেই শোরগোলের মধ্যেই এবার বিয়ের একবছরের মধ্যেই এক সোশাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারের রহস্যমৃত্যের নেপথ্যেও উঠে এল পণের জন্য চাপের মতো অভিযোগই। মৃতা মানসীর স্বামীও সোশাল মিডিয়ার জনপ্রিয় মুখ। এমন এক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ক্রমশ বাড়ছে। ঘটনা সাদাতগঞ্জের।

    কানপুরের বাসিন্দা মানসীর সঙ্গে সাগর রাজপুত নামে এক যুবকের বিয়ে হয় ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে। সাগরের সোশাল মিডিয়ায় ফলোয়ারের সংখ্যা প্রায় ৮ লক্ষ। মানসীও যথেষ্ট সক্রিয় ছিলেন। তাঁর পরিবারের দাবি, বিয়ের সময় তাঁরা সামর্থ্য অনুযায়ী ৭ লক্ষ টাকা নগদ দেওয়ার পাশাপাশি নানা গৃহস্থালীর সরঞ্জাম ইত্যাদিও দেন পণ হিসেবে। কিন্তু শ্বশুরবাড়ির লোকজন এই বিয়েতে খুশি ছিল না বলেই দাবি। বিয়ের এক বছরের মধ্যেই উদ্ধার হল মানসীর ঝুলন্ত দেহ। তাঁর পরিবারের দাবি, ওই তরুণীকে কম পণ দেওয়ার জন্য খোঁটা শুনতে হত। কেবল শ্বশুর, পিসিশাশুড়ি, ননদ, ননদাই নন, খোদ সাগরও ছিলেন সেই দলে। নিয়মিত গাড়ির দাবিও করা হত। পরে শুরু হয় মারধরও। এমনই অভিযোগ মানসীর পরিবারের। তাঁদের দাবি, খুন করে আত্মহত্যা বলে চালানোর জন্য গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁদের মেয়ের দেহকে।

    পুলিশ জানিয়েছে, সব মিলিয়ে ৬ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়েছে। সাদাতগঞ্জ থানার পুলিশ আধিকারিক সন্তোষ আর্য জানিয়েছেন, পুলিশ বিষয়টি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করছে। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। মনে করা হচ্ছে সেই রিপোর্ট পেলে বিষয়টি সম্পর্কে আরও বিশদে জানা যাবে। মানসীর পরিবারের দাবি, তাঁদের মৃত্যুর নেপথ্যে যাঁরা তাঁদের সকলের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হোক। ইতিমধ্যেই সাগরকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা শুরু হয়েছে। এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
  • Link to this news (প্রতিদিন)