লোন শোধ না করেও ‘দাদাগিরি’, ৮ বছর পর তৃণমূল নেতার ৫ লাখি গাড়ি নিয়ে গেল পুলিশ
প্রতিদিন | ০১ জুন ২০২৬
রাজনৈতিক ক্ষমতা দেখিয়ে ‘দাদাগিরি’ করে গিয়েছেন। ঋণের কিস্তি দিতে না পারলেও আটকে রেখেছিলেন গাড়ি। তবে রাজ্য সরকারের পালাবদলের পরই ‘দাপুটে’ নেতাই হয়ে গিয়েছেন ভিজে বেড়াল! আইনি জটিলতা কাটিয়ে গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। মালদহের চাঁচলের আজাদপল্লিতে তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে গাড়ি তুলে নিয়ে গেল পুলিশ।
মালদহ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সদস্য তথা ব্লক তৃণমূলের সহ সভাপতি সামিউল ইসলাম। অভিযোগ, গত ২০১৬ সালে পাঁচ লক্ষ টাকার বেশি ঋণ নিয়ে গাড়ি কেনেন তৃণমূল নেতা। তিনি মাত্র ১ লক্ষ ১৮ হাজার টাকা শোধ করেন। বাকি প্রায় ৩ লক্ষ ৯১ হাজার টাকা বকেয়া থেকে যায়। ব্যাঙ্কের দাবি, একাধিকবার নোটিস পাঠানো হয়। তবে কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি। রিকভারি এজেন্সির কর্মী দেবাশিস চক্রবর্তীর দাবি, গত ২০১৮ সাল থেকেই ঋণের কিস্তি বকেয়া পড়ে যায়। বর্তমানে সুদ-সহ মোট বকেয়ার পরিমাণ প্রায় ৬ লক্ষ টাকা। তা সত্ত্বেও গাড়ি ফেরত দেননি তৃণমূল নেতা।
অভিযোগ, আইনি নোটিসেও আমল দেননি তিনি। ক্ষমতাবলে বারবার তা অগ্রাহ্য করেছেন। সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া শেষে রবিবার আজাদপল্লির বাড়িতে যান লোন রিকভারি এজেন্টের প্রতিনিধিরা। গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়। রিকভারি এজেন্সির কর্মী দেবাশিস চক্রবর্তী বলেন, “সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনেই গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।” তবে এই অভিযোগ নিয়ে সামিউল ইসলামের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।