• আবাসের ঘর পেতে কোটি টাকা কাটমানি! পলাতক তৃণমূল উপপ্রধানের সঙ্গীকে গণধোলাই মহিলাদের
    প্রতিদিন | ০২ জুন ২০২৬
  • কাটমানি দিলে তবেই মিলবে আবাসের ঘর! তৃণমূলের উপপ্রধান কারও থেকে ১০ হাজার, কারও থেকে ২০-৩০ হাজার টাকা করে নিয়েছিল বলে অভিযোগ। কিন্তু বাড়ি মেলেনি। রাজ্যের পালাবদলের পর এবার সেই টাকা ফেরত পেতে ওই তৃণমূল নেতার বাড়ির সামনে বিক্ষোভ স্থানীয় মহিলাদের। সেসময় উপপ্রধানের এক সঙ্গী তাঁদের হুমকিও দিয়েছিল বলে অভিযোগ। শেষপর্যন্ত বিক্ষুব্ধরা ওই সঙ্গীকে গণধোলাই দিল! চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বনগাঁর গোপালনগরে। ঘটনায় এলাকায় প্রবল রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, তৃণমূল নেতৃত্ব দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় অনাচার করেছে।

    গোপালনগর থানার বিরামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল উপপ্রধানের দিব্যেন্দু বিশ্বাস। তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদন ধরেই কাটমানি, তোলাবাজি-সহ একাদজিক অভিযোগ রয়েছে। আবাস যোজনায় গ্রামের মানুষকে বাড়ি পাইয়ে দিতে মোটা টাকা কাটমানি নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে দিব্যেন্দুর বিরুদ্ধে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, বাড়ি পাইয়ে দিতে কারও থেকে ১০ হাজার, কারও থেকে ২০-৩০ হাজার টাকা করে নেওয়া হত! টাকা না দিলে বাড়ি মিলবে না, সেই হুমকিও দেওয়া হত বলে অভিযোগ। বাধ্য হয়ে কষ্টের টাকা ওই তৃণমূল নেতাকে দিতে বাধ্য হতেন মানুষজন। 

    ১৯৩টি পরিবারকে আবাসে বাড়ি দেওয়ার নামে কোটি টাকা দিব্যেন্দু ও তাঁর সঙ্গীরা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ। আজ, সোমবার এলাকার মহিলারা ওই উপপ্রধানের বাড়ির সামনে ভিড় করেন। টাকা ফেরতের দাবিতে সরব হন তাঁরা। ওই তৃণমূল নেতা পলাতক বলে খবর। তবে এদিন ওই নেতার এক সঙ্গী ফের বিক্ষোভকারীদের হুমকি দেন। সমস্ত ক্ষোভ তাঁর উপর গিয়ে পড়ে। ওই তৃণমূল কর্মীকে ধরে গণপিটুনি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার খবর পেয়ে গোপালনগর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। মানুষের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছেন, তৃণমূল নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। সাধারণ মানুষদের হুমকিও দেওয়া হত। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)