• ১১ ঘণ্টা ইডির ম্যারাথন জেরা, সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়ে কী বললেন রথীন ঘোষ?
    প্রতিদিন | ০২ জুন ২০২৬
  • ইডির ম্যারাথন জেরা। অবশেষে ১১ ঘণ্টা পর সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরলেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ। আজ, সোমবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ রথীন ঘোষ ইডির অফিসে উপস্থিত হয়েছিলেন। জেরা শেষে বেরিয়ে তেমন কিছু বলতে চাননি তৃণমূলের মধ্যমগ্রামের বিধায়ক। রথীন বলেন, “আইটি সংক্রান্ত কিছু নথিপত্র চেয়েছিল। সেগুলো জমা দিয়েছি। পরে আবার ডাকবে বলেছে।”

    পুরনিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে একাধিকবার রথীন ঘোষকে ডেকেছে ইডি। সাম্প্রতিককালেও তৃণমূলের এই বিধায়ককে জেরার জন্য ডাকা হয়েছিল। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার জন্য তিনি জেরায় হাজির হচ্ছিলেন না। এমনই চিঠি মারফত ইডিকে জানানো হয়েছিল। এদিকে পুরনিয়োগ দুর্নীতিতে রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুকে গ্রেপ্তার করেছে ইডি। তিনি এখন জেল হেফাজতে রয়েছেন। সেই আবহে ফের কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা সংস্থা রথীনকে তলব করে। ফলে জল্পনা বাড়তে থাকে। আজ, সোমবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হন তিনি। এরপর থেকে চলে ম্যারাথন জেরা। রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ জেরা শেষে বেরন তৃণমূল নেতা। 

    প্রসঙ্গত, বছর তিন আগে রেশন দুর্নীতি মামলায় তৎকালীন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ইডির হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর এই দপ্তরের দায়িত্ব মধ্যমগ্রামের দীর্ঘদিনের বিধায়কের হাতে তুলে দিয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এর মাঝেই রথীন ঘোষের নাম জড়ায় পুরনিয়োগ দুর্নীতিতে। ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত মধ্যমগ্রাম পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন রথীন। তাঁর সুপারিশে মধ্যমগ্রাম পুরসভায় অবৈধভাবে নিয়োগ হয়েছিল বলে অভিযোগ তোলে ইডি। শুরু হয় তদন্ত। সেই মামলার তদন্তে ছাব্বিশের ভোটের মুখে রথীন ঘোষকে মোট ৫ বার ডেকে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু তিনি প্রার্থী হওয়ায় এবং নির্বাচনের নানা কাজে ব্যস্ততার অজুহাতে হাজিরা এড়িয়ে যান। গত ৪ মে ভোটের ফলপ্রকাশে দেখা যায় তিনি জয়ী হয়েছেন। ফের তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইডির শমন পাঠানো হয়। এরপরও শারীরিক অসুস্থতার কথা বলে হাজিরা এড়িয়েছিলেন তিনি। তবে এদিন তিনি জেরার মুখোমুখি হয়েছিলেন।
  • Link to this news (প্রতিদিন)