মসনদে শিবকুমার, তবুও মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন ছাড়ছেন না সিদ্দা, কর্নাটকে কোন্দল লুকোতে পারছে না কংগ্রেস?
প্রতিদিন | ০২ জুন ২০২৬
আট বছরের রাজ্যপাট শেষ। কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়েছেন সিদ্দারামাইয়া। দক্ষিণী রাজ্যের মসনদে এখন ডিকে শিবকুমার। তবুও মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন ছাড়ছেন না সিদ্দা। জানা গিয়েছে, তিনি কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনেই থাকবেন। এরপরই কংগ্রেসের কোন্দল নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছে দক্ষিণী রাজ্যে।
তবে সূত্রের খবর, সরকারি বাসভবনে থাকা নিয়ে কংগ্রেসের দুই শীর্ষ নেতা পারস্পরিকভাবে একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ সমঝোতায় পৌঁছেছেন। এই বোঝাপড়া অনুযায়ী, বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৮ সাল পর্যন্ত কাবেরী বাংলোতেই বসবাস করবেন। অন্যদিকে, শিবকুমার প্রাথমিকভাবে তাঁর নিজের ব্যক্তিগত বাসভবন থেকেই তাঁর কার্যক্রম পরিচালনা করবেন বলে জানা গিয়েছে। তবে পরে তিনি কোনও সরকারি বাসভবনে স্থানান্তরিত হতে পারেন। বুধবার কর্নাটকের ২৫ তম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেবেন শিবকুমার।
মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেওয়ার পর রাহুল গান্ধীর বাসভবনে একদফা বৈঠক করেন সিদ্দা। রাহুল ও খাড়গের উপস্থিতিতে সেই বৈঠকে নিজের দাবি দাওয়া পেশ করেন সিদ্দারামাইয়া। এমএলসি পদে নিয়োগের জন্য নামের তালিকা পেশ করেন। এর পাশাপাশি মন্ত্রিসভায় কাদের নিয়োগ করতে হবে সে তালিকাও দেওয়া হয় হাইকমান্ডকে। এছাড়াও, তিনি মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন যে দপ্তরগুলি শিবকুমারের হাতে ছিল সেগুলি যাতে সিদ্দাপুত্র যতীন্দ্রকে দেওয়া হয় সেই দাবিও রাখেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী। এই তালিকায় রয়েছে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অনগ্রসর জাতি কল্যাণ, শিল্প বা জলসম্পদ দপ্তর। এদিকে শিবকুমারের হাতে দায়িত্ব হস্তান্তর করলেও হাই কমান্ডের তরফে তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠানোর পরিকল্পনা করা হলেও সে প্রস্তাব খারিজ করেছেন সিদ্দা। জানিয়ে দিয়েছেন, কর্নাটক রাজনীতিতে স্থায়ীভাবে যুক্ত থাকতে চান তিনি। অর্থাৎ মুখ্যমন্ত্রী পদ ছাড়লেও কর্নাটকে কংগ্রেসের রাশ নিজের হাতে রাখতেই আগ্রহী সিদ্দারামাইয়া।