• ঋতব্রতর হাত ধরেই তৃণমূলে এসেছিলেন! ‘দাদা’র বহিষ্কারে কি দল ছাড়বেন প্রতীক উরও?
    প্রতিদিন | ০২ জুন ২০২৬
  • বঙ্গ রাজনীতিতে বর্তমানে বেশ পরিচিত নাম প্রতীক উর রহমান (Pratik Ur Rahaman)। তার কারণ, কাস্তে হাতুড়ি ছেড়ে ঘাসফুল শিবিরে যোগদান। তাঁর দলবদলের সময়ই জানা গিয়েছিল, তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগের মূলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee)। তাঁর কসবার অফিসেও দেখা গিয়েছিল প্রতীক উরকে। কয়েকমাসের ব্যবধানে বদলে গিয়েছে সমস্ত সমীকরণ। ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে তৃণমূল। দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে ঋতব্রতকে বহিষ্কার করেছে দল। এতেই প্রশ্ন মাথাচাড়া দিয়েছে, এবার ঘাসফুল শিবির ছাড়বেন প্রতীক উরও? এবিষয়ে মুখ খুললেন তিনি নিজেই। 

    ঋতব্রতর বহিষ্কার প্রসঙ্গে প্রতীক উর সাফ জানালেন, দলের সিদ্ধান্তই তাঁর সিদ্ধান্ত। এখানে বিরোধিতার কোনও প্রশ্নই নেই। পাশাপাশিভাবে ঋতব্রতর হাত ধরে তাঁর তৃণমূলে যোগ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে প্রতীক উর বলেন, “আমি ঋতদার হাত ধরে দলে আসিনি। আমি দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়ের হাত ধরে এসেছি। উনি দলে ছিলেন তাই কথা হত। এর বেশি কিছু নয়।” অর্থাৎ তিনি যে দুঃসময়ে তৃণমূলের সঙ্গেই থাকবেন, তা স্পষ্ট। সইকাণ্ড থেকে তৃণমূলের ভাঙন, সব কিছুর নেপথ্যে বিজেপির চক্রান্তকেই দেখছেন প্রাক্তন এই বামনেতা তথা তৃণমূলের মুখপাত্র প্রতীক উর। তাঁর কথায়, “বিজেপি-আরএসএস ঘরের মধ্যে ঘর করায় বিশ্বাসী। ওরা ভাঙন ধরানোর চেষ্টা করে সর্বত্র। এখানেও সেটাই চেষ্টা করছে। তবে মনে রাখবেন, বাংলায় ওরা ৪৫ শতাংশ ভোট পেয়েছে। বাকি ৫৫ শতাংশ ভোট কিন্তু অন্য দলগুলো পেয়েছে।”

    এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর ডিম হামলার তীব্র প্রতিবাদ করেন তিনি। প্রতীক উরের দাবি, সাংসদের খুনের চক্রান্ত করা হয়েছিল। উল্লেখ্য, এর আগেও এই হামলা নিয়ে সোচ্চার হয়েছিলেন তিনি। জার্মান পাদ্রী মার্টিন নিম্যোলারের লেখা তুলে ধরে প্রতীক উর লেখেন, “আজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর প্রাণঘাতী আক্রমণ হল। আপনি চুপ, কারণ আপনি তৃণমূল নন। কাল কোনও সম্প্রদায়ের উপর আক্রমণ হবে। আপনি চুপ, কারণ আপনি ওই সম্প্রদায়ের লোক নন। পরশু যখন আপনার উপর আক্রমণ হবে পাশে দাঁড়ানোর কেউ থাকবে না কারণ আপনি ও সঠিক সময়ে প্রতিবাদ করেননি।” বুঝিয়ে দেন তিনি খারাপ সময়ে দলের পাশেই রয়েছেন।    
  • Link to this news (প্রতিদিন)