• তোলাবাজির অভিযোগ! ধৃত তৃণমূল নেতা চঞ্চল খাঁড়াকে কোমরে দড়ি বেঁধে প্রকাশ্য রাস্তায় হাঁটাল পুলিশ
    News18 বাংলা | ০২ জুন ২০২৬
  • চিকিৎসকের বাড়িতে হামলা, প্রাণনাশের হুমকি, তোলাবাজি-সহ বিভিন্ন অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন পুর প্রধান ও বর্তমান কাউন্সিলর এবং তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি চঞ্চল খাঁড়া। আদালতের নির্দেশে তিনি পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। তদন্তের স্বার্থে তমলুক পুরসভায় তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর পুরসভা অফিস থেকে চঞ্চল খাঁড়াকে কোমরে দড়ি বেঁধে জেলখানা মোড় পর্যন্ত হাঁটিয়ে নিয়ে গিয়ে পুলিশ গাড়িতে তোলা হয়।

    রাজ্যে পালাবদলের পরে তমলুকের দাপটে তৃণমূল নেতা তাম্রলিপ্ত পৌরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর চঞ্চল কুমার খাঁড়াকে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার করার পরে দফায় দফায় তদন্তের স্বার্থে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ক’দিন আগে তদন্তের স্বার্থে তমলুক থানার পুলিশ চঞ্চল খাঁড়াকে তাঁর বাড়িতেও নিয়ে যায়৷

    এদিন চঞ্চল খাঁড়াকে তমলুক থানা থেকে তাম্রলিপ্ত পৌরসভায় নিয়ে যাওয়া হয়। তাম্রলিপ্ত পৌরসভার চেয়ারম্যানের রুমে চঞ্চল খাঁড়াকে রেখে বর্তমান চেয়ারম্যান বৈদ্যনাথ সিনাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তমলুক থানার আধিকারিকরা। বেশ কিছুক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করার পরে চঞ্চল খাঁড়াকে কোমরে দড়ি বেঁধে পৌরসভা থেকে নামিয়ে তমলুক শহরে বেশ কিছুটা পথ হাঁটিয়ে নিয়ে গিয়ে পুলিশের গাড়িতে তুলে তমলুক থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

    তাম্রলিপ্ত পৌরসভার চেয়ারম্যান বৈদ্যনাথ সিনহা জানিয়েছেন “তমলুক থানা থেকে পুলিশ এসেছিল, আমাকে জিজ্ঞাসা করেছে পুলিশ চঞ্চল খাঁড়া চেয়ারম্যান পদ ছাড়ার সময় আপনাকে কি কি নথি দিয়েছিল। আমি জানিয়েছি, আমাকে চার্জ হ্যান্ডওভার করেছেন মহকুমা শাসক। তদন্তের স্বার্থে আমাকে ডাকলে আমি যাবো এবং পুলিশকে তদন্তের স্বার্থে সাহায্য করব। চঞ্চল কুমার খাঁড়াকে কোমরে দড়ি বেঁধে তাম্রলিপ্ত পৌরসভায় নিয়ে আসা প্রসঙ্গে তাম্রলিপ্ত পৌরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলর শবরী চক্রবর্তী বলেন, এটা থেকে সমস্ত নেতাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত। এমন কিছু কাজ করবে না, যাতে পরবর্তী সময়ে এইভাবে হেনস্থা হতে হয়। চঞ্চল খাঁড়া বর্তমানে ১২ দিনের পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। পুলিশ তদন্তের স্বার্থে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে চঞ্চল খাঁড়াকে।
  • Link to this news (News18 বাংলা)