• ৪ বছরেই স্বপ্নপূরণ? গঙ্গাসাগর সেতু নিয়ে এল বড় আপডেট, কবে চালু হবে জানালেন বিধায়ক
    News18 বাংলা | ০২ জুন ২০২৬
  • : সমস্ত ধরণের সমস্যা মিটিয়ে ২০৩০ সালের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে গঙ্গাসাগর সেতুর কাজ। ইতিমধ্যেই যে সমস্ত সমস্যা ছিল তা মিটিয়ে ফেলা হয়েছে। জোরকদমে ব্রিজ তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। তা স্থানীয় মানুষজন দেখতেও পাচ্ছেন। এ নিয়ে সাগরের বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল জানিয়েছেন, “ব্রিজ নিয়ে নির্মাণকারী সংস্থার সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। এছাড়াও মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী সেন্ট্রাল ওয়াটারস ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে কথা বলছেন। ব্রিজ নির্মাণের দ্রুত করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্মাণকারী সংস্থারা।”

    ব্রিজের কাজ দৃশ্যমান হওয়ায় খুশি স্থানীয়রা। কাকদ্বীপের বিধায়ক দীপঙ্কর জানা জানিয়েছেন, চার বছরের মধ্যে ব্রিজ তৈরির কাজ শেষ হবে। ব্রিজ নিয়ে প্রাশাসনিক বৈঠক হয়েছে। আ্যপ্রোচ রোড ও অন্যান্য জিনিসগুলি দেখা হচ্ছে।

    সেতুর কাজ পুরোদমে শুরু হয়ে গিয়েছে। দিন রাত জেগে নির্মাণকারী সংস্থার কর্মীরা এখন কাজ করছেন। নদীর উপরে থাম তৈরির কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। গত কয়েকদিনের মধ্যে প্রায় ১৪টি থাম তৈরির প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

    প্রথমে লোহার গোল খাঁচা পোঁতা হয়েছে। এবার তার ভিতরে লোহার রড দিয়ে স্টোনচিপ, বালি ও সিমেন্ট মিশিয়ে ঢালাই মশলা ফেলার কাজ শুরু হবে। সেতু নির্মাণের ক্ষেত্রে বড় বড় ক্রেন ও অত্যাধুনিক মেশিনকে কাজে লাগানো হয়েছে। সেতু নির্মাণের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও জিনিসপত্র রাখার জন্য কাকদ্বীপের প্রায় চারটি জায়গায় অস্থায়ী গুদামঘর তৈরি করা হয়েছে। সেখানেই আপাতত সব জিনিসপত্র মজুত রাখা হয়েছে।

    এছাড়াও সেতু নির্মাণের বিভিন্ন জিনিসপত্র বহন করার জন্য নদীর তীর পর্যন্ত অস্থায়ী একটি রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। সেই রাস্তা দিয়েই ডাম্পার ও ছোট গাড়িগুলি যাতায়াত করছে।এবিষয়ে নির্মাণকারী সংস্থার এক কর্মী বলেন, দিনের পাশাপাশি রাতেও আলো জ্বেলে সেতু তৈরির কাজ চলছে। দ্রুত ঢালাই মশলা ফেলার কাজ শুরু হবে। নদীর তীরবর্তী এলাকায় সাত মিটার অন্তর থামগুলি তৈরি করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, জমি নিয়ে কিছু সমস্যা রয়েছে। খুব শীঘ্রই আলোচনার মাধ্যমে সেই সমস্যার সমাধান করা হবে।
  • Link to this news (News18 বাংলা)