ক্যানিংয়ের জীবনতলায় অস্ত্রভাণ্ডার! স্থানীয় তৃণমূল নেতার বাড়িতে পাওয়া গেল রাইফেলের বিপুল পরিমাণ কার্তুজ। জবেদ শেখ নামে ওই তৃণমূল নেতা প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লার ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। জীবনতলা থানার কালিকাতলা এলাকায় ওই অস্ত্র উদ্ধারে শুরু হয়েছে জোর গুঞ্জন। ওই এলাকার আশেপাশে অনেক বন্দুক লুকিয়ে রাখা আছে! এমনই দাবি করেছেন বিজেপি নেতারা। পুলিশকে সেগুলি খুঁজে বার করার জন্য তল্লাশি চালাতে অনুরোধ করা হয়েছে।
রাজ্যে পালাবদলের পরে একাধিক জায়গায় টাকা, অস্ত্র, বোমা, ভোটার-আধার কার্ড পাওয়া যাচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের বাড়ি, পার্টি অফিসে মিলছে একাধিক নথি। সেই আবহে এবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে উদ্ধার হল বিপুল কার্তুজ। সেগুলি দূরপাল্লার রাইফেলের বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। আজ, মঙ্গলবার দুপুরে জীবনতলার কালিকাতলায় ওই তৃণমূল নেতার বাড়িতে পুলিশ হানা দেয়। তল্লাশির সময় বাড়ির পাশেই থাকা তালপাতা সরাতেই হইচই শুরু হয়ে যায়। দেখা যায়, বিপুল সংখ্যায় কার্তুজ রয়েছে। রাইফেলের মোট ৭৫টি কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। শুধু তাই নয়, প্রায় শতাধিক খোল পাওয়া গিয়েছে সেখান থেকে!
আর কোথাও কোনও অস্ত্র, কার্তুজ লুকিয়ে রাখা রয়েছে কিনা, সেই প্রশ্নও ওঠে। বাড়ির আশেপাশেও চলে তল্লাশি। জবের শেখ একাধিক দুষ্কৃতীমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ। তাঁর নেতৃত্বে বিভিন্ন জায়গাতে তৃণমূলের তরফে গণ্ডগোল করা হত! খুনের অভিযোগও আছে তাঁর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লা ঘনিষ্ঠ। এদিন তল্লাশি চালালেও বাড়িতে তাঁকে পাওয়া যায়নি। পুলিশ তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে। তদন্তকারীদের অনুমান, অস্ত্র অন্য কোথাও লুকিয়ে রাখা আছে। তৃণমূল এই ঘটনা নিয়ে কোনও কথা বলেনি। স্থানীয় বিজেপি নেতা সুমন হালদার বলেন, “জবেদের বিরুদ্ধে বহু জায়গায় গুলি চালানো, জমি দখল, তোলাবাজি এমনকী খুন করার অভিযোগ আছে। আমরা চাই ক্যানিং পূর্ব বিধানসভাতে যেখানে যত বেআইনি বন্দুক আছে, সেগুলো পুলিশ উদ্ধার করুক।”