অজ্ঞাত পরিচিত মহিলার মুণ্ডহীন, হাত, পা কাটা এবং দ্বিখণ্ডিত দেহাংশ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল মেমারির কালেশ্বর এলাকায়। বর্ধমান-কালনা রোডের কালেশ্বর এলাকায় যাত্রী প্রতীক্ষালয়ের পিছনের ঝোপ থেকে পুলিশ মহিলার দেহাংশ উদ্ধার করে মেমারী গ্রামীণ হাসপাতালে পাঠায়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মানব দেহাংশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রাই প্রথমে খবর দেন মেমারি থানায়। যদিও দেহাংশ এখনও সনাক্ত করা যায়নি।
পুলিশের প্রাথমিক অনুমান খুন করে মহিলার দেহ খন্ড খন্ড করে কাটার পর কেউ বা কারা রাস্তার ধারে ফেলে দিয়ে গেছে। একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে সামগ্রিক ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে মেমারি থানার পুলিশ।
আরও পড়ুন : এবার মিলল আগ্নেয়াস্ত্রও! এসি গেস্ট রুম, নিরোধকের পরে সুরেন্দ্রনাথের ইউনিয়ন রুমে উদ্ধার ‘ওয়ান শটার’
সম্প্রতি,গল্ফগ্রিনের অরবিন্দ নগরের একটি ফ্ল্যাট থেকে যুগলের দেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বহুতলের চার তলার ফ্ল্যাটে একত্রবাস করতেন তাঁরা। ওই ফ্ল্যাটেই মাঝমধ্যে থাকতেন আরও এক যুগল। তাঁদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। ঘর থেকে উদ্ধার হয়েছে মাদক। মৃত্যুর কারণ এখনও জানা যায়নি।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গল্ফ গ্রিনের ওই ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন মৃত তরুণ এবং তরুণী। তরুণীর বাড়ি কলকাতার রামগড়ে। তরুণের বাড়ি তিলজলায়। গত রবিবার সকালে ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয় যুগলের দেহ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই ফ্ল্যাটে মাঝেমধ্যেই আরও এক যুগল এসে থাকত। শনিবার রাতে তারা ছিল। পরে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে৷
আরও পড়ুন সুরেন্দ্রনাথ কলেজে মাসাজ পার্লার! এসি গেস্ট রুম, বিছানা, বালিশ থেকে নিরোধক! সব শুনে কী বললেন অভিযুক্ত তৃণমূলনেতা কানকাটা দেবু?
স্থানীয় সূত্রের দাবি, গত চার থেকে পাঁচ মাস ধরে গল্ফ গ্রিনের ওই ভাড়াবাড়িতে বসবাস করছিলেন ওই যুগল। তরুণ একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। বাড়ির মালিকের বক্তব্য, তরুণীকে খুব কমই ফ্ল্যাটের বাইরে দেখা যেত; অধিকাংশ সময় তিনি ঘরেই থাকতেন। পুলিশ সূত্রে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হয়েছিল, ওই যুগলের মধ্যে মাদক সেবনের অভ্যাস থাকতে পারে।