বেঙ্গালুরু: কুর্সি নিয়ে দীর্ঘ দিনের টানাপোড়েনের পর কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী পদে বসতে চলেছেন ডি কে শিবকুমার। আজ বুধবার লোকভবনে রাজ্যের ২৫ তম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেবেন তিনি। সিদ্ধারামাইয়াকে সরিয়ে শিবকুমারকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানোর সিদ্ধান্তে কয়েকদিন আগেই সিলমোহর দিয়েছিল কংগ্রেস হাইকমান্ড। কিন্তু তারপর থেকেই উপমুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। শিবকুমারের একজন, না একাধিক ডেপুটি থাকবেন, তা নিয়ে কংগ্রেসের অন্দরে জোর চর্চা চলছে। এরইমধ্যে সূত্রের খবর, উপমুখ্যমন্ত্রী হিসাবে প্রাক্তন প্রদেশে কংগ্রেস সভাপতি জি পরমেশ্বরেরই পাল্লা ভারী। এই প্রভাবশালী দলিত নেতা এর আগে স্বরাষ্ট্র দপ্তরের দায়িত্ব পালন করেছেন।
এই পদের দৌড়ে রয়েছেন কর্ণাটক কংগ্রেসের দুই প্রভাবশালী পরিবারের দুই যুব নেতাও। একজন সিদ্ধারামাইয়ার পুত্র যতীন্দ্র। অন্যজন মল্লিকার্জুন খাড়্গের পুত্র প্রিয়াঙ্ক খাড়্গে। সূত্রের খবর, সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর ছেলে পেশায় চিকিৎসক যতীন্দ্র মন্ত্রী হতে পারেন। ২ বারের এই বিধায়ককে তাঁর বাবার যোগ্য উত্তরসূরি হিসাবে মনে করা হয়। ২০১৮ সালে প্রথমবার বরুণা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হন যতীন্দ্র। দলের সাংগঠনিক কাজে তিনি দক্ষ বলেই পরিচিত। সিদ্ধারামাইয়ার অনুগামীদের মধ্যে তাঁর গ্রহণযোগ্যতাও যথেষ্ট। অন্যদিকে যতীন্দ্রকে ‘আগামীর শিবকুমার’ বলে মন্তব্য করেছিলেন খোদ রাহুল গান্ধীই।
অন্যদিকে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের পুত্র প্রিয়াঙ্ক কর্ণাটক কংগ্রেসের অন্যতম তরুণ মুখ। ২০১৩ সালে চিত্তুর থেকে বিধানসভা ভোটে জয়ী প্রিয়াঙ্ক তিনবারের বিধায়ক। সিদ্ধারামাইয়ার মন্ত্রিসভারও সদস্য ছিলেন তিনি। রাজ্যের যুব ও শহুরে ভোটারদের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। হাত শিবির সূত্রের খবর, দলের অন্দরে বিভিন্ন গোষ্ঠী ও সম্প্রদায় চাপের পরিপ্রেক্ষিতে যতীন্দ্র ও প্রিয়াঙ্ক দু’জনকেই উপমুখ্যমন্ত্রী করা যায় কিনা তা নিয়েও আলোচনা হয়।