Big Breaking: বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে মনোনীত হলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের ৫৮ জন বিধায়ক তাঁকে সমর্থন করেছেন বলে সূত্রের খবর। সূত্র জানিয়েছে, মুখ্য সচেতক মনোনীত হলেন মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জের বিধায়ক আখরুজ্জামান। এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা, কসবার বিধায়ক জাভেদ খানের নাম উপ-নেতা হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছে।
সূত্রের খবর, বুধবার বিধানসভায় সশরীরে উপস্থিত ছিলেন ৫৮ জন। স্পিকারের কাছে দেওয়া চিঠিতে তাঁদেরই সই রয়েছে। পরে আরও ৬ জন বিধায়ক সই করবেন বলে স্পিকারকে জানানো হয়েছে।
বিধানসভায় জাল সই বিতর্ক নিয়ে টানাপড়েনের মধ্যেই বুধবার সকালে বিধানসভায় যান ঋতব্রত-সন্দীপনরা। তার পরেই দেখা যায়, একে একে তৃণমূলের অন্য বিধায়কেরা বিধায়কেরা বিধানসভায় পৌঁছচ্ছেন। বিধানসভায় প্রবেশের সময়ে সন্দীপন দাবি করেছিলেন, দুই-তৃতীয়াংশের বেশি তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে তাঁদের। তাঁদের মধ্যেই ছিলেন শিউলি সাহা, সাবিনা ইয়াসমিন, অরূপ রায়, রথীন ঘোষ, জাভেদ খান, সমীর পাঁজা, গোলাম রাব্বানি, ইমানি বিশ্বাস, হামিদুর রহমান, দীনেন রায়, আখেরুজ্জামান, চন্দ্রনাথ সিংহা, রিয়াজ হোসেন, গুলশান মল্লিক, পিয়া পাল, সুরজিৎ মিত্র, সমর মুখোপাধ্যায়, ঊষারানি মণ্ডল, আব্দুল আজিজ, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়।
ঋতব্রত এবং সন্দীপনদের সঙ্গে তৃণমূলের এই বিধায়কদের বৈঠক হয় বিধানসভার নওসর আলি কক্ষে। সেখানে বিরোধী দলনেতা, উপ-নেতা, মুখ্য সচেতক বাছাইয়ের প্রস্তাব গৃহীত হয়। তার পরেই স্পিকারের কাছে যান ঋতব্রতরা। বিধানসভা সূত্রের খবর, স্পিকার বুধবার বিকেল ৪টে পর্যন্ত সময় চেয়েছেন। তার মধ্যেই ঋতব্রত-সন্দীপনদের আনুষ্ঠানিক ভাবে গৃহীত হতে পারে।