মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে হাজির হলেন কুণাল ঘোষ, ফিরহাদ হাকিম এবং নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ও। আগেই পৌঁঁছেছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা।
বিধানসভায় সই বিতর্কে দলবিরোধী কাজের দায়ে যে ঋতব্রতকে তৃণমূল বহিষ্কার করেছিল, বুধবার সেই ঋতব্রতকেই বিরোধী দলনেতা হিসেবে মনোনীত করেছেন ৫৮ জন তৃণমূল বিধায়ক। যার জেরে কার্যত ভাঙনের মুখে রাজ্যের প্রাক্তন শাসকদল। ঋতব্রতের সঙ্গে এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহাকেও বহিষ্কার করেছিল তৃণমূল। তাঁর নামও উপ-নেতা হিসেবে প্রস্তাব করা হয়েছে। তা নিয়ে নানা জল্পনার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর বৈঠকে ঋতব্রত-সন্দীপনদের পাশাপাশি হাজির হলেন কুণাল-ফিরহাদেরা।
সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে সব মিলিয়ে ২০ জন তৃণমূল বিধায়ক হাজির হয়েছেন। ঋতব্রত, সন্দীপন, কুণাল, ফিরহাদ এবং নয়না ছাড়াও রয়েছেন জাভেদ খান, অশোক দেব, অরুণাভ সেন, সমীর পাঁজা, প্রিয়া পাল, গুলশন মল্লিক, তাপস মাইতি, নীলিমা মিস্ত্রি, আব্দুল খালেক মোল্লা, বাহারুল ইসলাম, পরেশরাম দাস, জয়দেব হালদার, সমীর জানা, শুভাশিস দাস এবং অরূপ রায়।
জাল সই বিতর্কে দল থেকে ঋতব্রত এবং সন্দীপন বহিষ্কার হওয়ার পরে তাঁকে নিশানা করেছিলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলীয় বিধায়কদের উদ্দেশে কুণাল বলেছিলন, ‘আপনারা যাঁরা ঋতব্রতের পাল্লায় পড়ছেন, মনে রাখুন, আপনারা তৃণমূলের টিকিটে জিতে বিধায়ক হয়েছেন। আপনাদের হয়ে প্রচার করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’ কিন্তু তা সত্ত্বেও বিরোধী দলনেতা হিসেবে মমতা-প্রস্তাবিত শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম অগ্রাহ্য করে তৃণমূলের ৫৮ জন বিধায়ক ঋতব্রতকেই বিরোধী দলনেতা হিসেবে মনোনীত করেছেন। তবে স্পিকারের কাছে তৃণমূলের বিদ্রোহী বিধায়কেরা যে চিঠি দিয়েছেন, তাতে দলনেত্রী হিসেবে মমতারই নাম রয়েছে।