তিনহাজার ঢুকল মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে! কতজন পেলেন সুবিধা? গ্রাম থেকে শহর... খুশির উদযাপন
News18 বাংলা | ০৩ জুন ২০২৬
খুলল ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র অনলাইন পোর্টাল। অফলাইনের পাশাপাশি অনলাইন থেকেও এবারে আবেদন করতে পারবেন মহিলারা। বুধবার ক্যাবিনেট বৈঠক থেকে জনমুখী এই প্রকল্পের অনলাইন পোর্টালের আনুষ্ঠানিক সূচণা করেন মুখমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আগামী ৯০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে অন্নপূর্ণা যোজনায় নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য। যে যেদিন নাম অন্তর্ভুক্ত করবেন, তার থেকে ৭/৮ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট মহিলার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে যাবে। তবে যারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পেতেন কিন্তু অন্নপূর্ণা যোজনার নতুন আবেদন এখনও করেননি, তাদের ক্ষেত্রে ৩০০০ নাকি ১৫০০ পাবেন বা আদৌ পাবেন কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
বুধবার রাজ্য সরকারের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্নপূর্ণা যোজনা উপভোক্তাদের টাকা দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। কলকাতায় আনুষ্ঠানিকভাবে তার সূচনা করা হলো এদিন। রাজ্যের প্রতিটি জেলায় ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠান দেখানোর ব্যবস্থা করা হয় প্রশাসনের তরফে। উত্তর ২৪ পরগণার হাবড়া এক নম্বর বিডিও অফিসে কন্যাশ্রী হলে ১০০ জন উপভোক্তার হাতে এ দিন জেলাশাসকের উপস্থিতিতে অন্নপূর্ণা যোজনা সার্টিফিকেট, শুভেচ্ছা স্বরূপ গোলাপ ফুল তুলে দেওয়া হল। এদিন থেকে তাদের টাকা পাঠানোর ব্যবস্থাও করা হলো প্রশাসনের তরফে। এছাড়া বিভিন্ন ব্লক ও পৌরসভা স্তরেও এই কর্মসূচি করা হয়েছে।
প্রথম পর্যায়ে নদিয়া জেলার প্রায় ২ লক্ষ ৬০ হাজার মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৩ হাজার টাকা করে পাঠানো হয়। বুধবার কৃষ্ণনগরের রবীন্দ্রভবন থেকে তার আনুষ্ঠানিক সূচনা হল। উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক শ্রীকান্ত পল্লী-সহ প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিকরা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়ক তারকনাথ চট্টোপাধ্যায়, কৃষ্ণনগর দক্ষিণের বিধায়ক সাধন ঘোষ। কৃষ্ণনগরের রবীন্দ্রভবনে এদিন এক বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে কৃষ্ণনগর-১, কৃষ্ণনগর-২ ব্লক এবং কৃষ্ণনগর পুরসভার মোট ৩০০ জন উপভোক্তার হাতে প্রতীকীভাবে প্রকল্পের অর্থ তুলে দেওয়া হয়।
শুভেন্দু বলেন, “ইতিমধ্যেই ২৮ লক্ষ ২৫ হাজার ৭৬৯ জনের নাম নথিভুক্ত করতে পেরেছি। তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার হবে। প্রতি সপ্তাহে দফতরের মন্ত্রী জানাবেন কত মহিলা টাকা পেলেন। অন্নপূর্ণা যোজনার কাজ পুরো শেষ হয়ে গেলে আগের প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাবে। তেমন ভাবেই আয়ুষ্মান ভারতে নাম ট্রান্সফার শুরু হলে এবং কাজ শেষ হলে স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্প বন্ধও হয়ে যাবে।”