• কুলতলিতে সুন্দরবনের বাঘের হানা, ফের প্রাণ গেল মৌলের! পরপর ৪ দিনে আক্রান্ত ৪
    News18 বাংলা | ০৩ জুন ২০২৬
  • : ফের কুলতলিতে বাঘের আক্রমণে মৃত্যু হল এক মৌলের। মৃত মৎস্যজীবীর নাম রামপ্রসাদ বাগানী। এই নিয়ে পরপর চারদিন একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হল। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলকায়। পরপর চারদিন বাঘের আক্রমণের শিকার চার জন। তার মধ্যে তিন জন মারা গিয়েছেন। এই নিয়ে এক মাসের মধ্যে ছয় জন বাঘের আক্রমণের শিকার হলেন। ফলে উদ্বেগ বাড়ছে। প্রশ্ন উঠছে মৎস্যজীবী অথবা মৌলেরা কি গভীর জঙ্গলে পাড়ি দিচ্ছেন তা নিয়েও। গোটা বিষয়টি বন দফতর খতিয়ে দেখছে।

    জানা গিয়েছে, গত শুক্রবার কুলতলির দেউলবাড়ি থেকে রামপ্রসাদ বাগানি, শম্ভু নস্কর ও দেবপ্রসাদ নাইয়া তিনজন কুলতলীর চাপাদারের ঘাট থেকে দোবাঁকি এলাকায় মধু সংগ্রহ করতে যায় আর সেখানেই রামপ্রসাদের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ে বাঘ। সঙ্গীরা রামপ্রসাদের ছাড়ানোর চেষ্টা করেও বিফল হয়। বাঘের হুংকার ও গর্জনে তারা দেহটি দেখে বাড়ির দিকে রওয়ানা দেয়। বাড়িতে এসে এই খবর দিলে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। যদিও এই মুহূর্তে নদীতে মাছ কাঁকড়া ও জঙ্গলে মধু সংগ্রহ করা বন দফতরের নির্দেশিকায় বারণ থাকলেও পেটের টানে মৎস্যজীবীরা নদীতে মাছ কাঁকড়া ও জঙ্গলে মধু সংগ্রহ করতে যাচ্ছে। আর তার ফলেই বাঘ বারে বারে এই সমস্ত মৎস্যজীবীদের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ছে।

    এই ঘটনা নিয়ে মানবাধিকার সংস্থা এপিডিআর এর পক্ষ থেকে রঞ্জিত শূর জানিয়েছেন, “বারবার বন দফতর ও পুলিশকে বলেও নিখোঁজ মৎস্যজীবীদের দেহ উদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছে না। যদি দেহ না উদ্ধার করা যায় তাহলে সরকারিভাবে ক্ষতিপূরণ পেতে সমস্যা হবে। শুধু তাই নয় আহত মৎস্যজীবীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে সরকারকেই। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলি পায় তা দেখতে হবে।”
  • Link to this news (News18 বাংলা)