Big Breaking: কলকাতার মেয়র পদ থেকে ইস্তফার ইচ্ছাপ্রকাশ ফিরহাদ হাকিমের। বুধবার মেয়র পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি। সূত্রের খবর, মেয়র হিসেবে থাকলেও স্বাধীন ভাবে কাজ করতে পারছেন না বলে ঘনিষ্ঠ মহলে ফিরহাদ জানিয়েছেন। এরই মধ্যে বুধবার ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। এ দিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব দিক বিবেচনা করে অনুমতি দিয়েছেন।
বঙ্গ রাজনীতির ইতিহাসে এই মুহূর্তে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ তারিখ হিসেবে উঠে আসছে ৩ জুন। একের পরে এক ধাক্কা তৃণমূলে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘মার্গ দর্শন’-এর পরামর্শ দিয়ে ‘আত্মপ্রকাশ’ ‘আসল তৃণমূল’-এর। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হলেন তৃণমূলের বহিষ্কৃত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের ৫৯ জন বিধায়কের সমর্থন নিয়েই এই পদে মনোনীত হলেন তিনি।
অন্য দিকে কলকাতা, হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা নিয়ে এ দিনই নবান্নে বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী। যে বৈঠকে দেখা গেল ফিরহাদ হাকিম, কুণাল ঘোষ, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়দের— যাঁরা এখনও অবধি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই আছেন বলে দাবি করছেন।
এ দিকে আবার কালীঘাট রোডে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঠিকানায় বিকেলেই পৌঁছেছে ইডির টিম। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নোটিস ধরানো হয়েছে তাঁকে। ১৫ জুন সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে বলে খবর।
এরই মধ্যে বিকেলে খবর আসে ফিরহাদ হাকিম কলকাতা পুরসভার মেয়র পদ ছাড়তে চাইছেন। এ নিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, ‘কলকাতার মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে বার বার ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছেপ্রকাশ করেছিলেন। তিনি বলেন, কাজ করা যাচ্ছে না। আজ নবান্নে প্রশাসনিক সভাতেও যে আলোচনা হয়েছে, তাতে বলা হচ্ছে কলকাতা পুরসভা ডিফাংক্ট। কাজ করা যাচ্ছে না। ফলে বিধায়কদের পরামর্শ নিয়ে কমিশনার কাজ করবেন। অন্যদিকে ফিরহাদ হাকিম চাইছেন সসম্মানে ইস্তফা দিতে। সব দিক বিবেচনা করে আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মেয়র পদ থেকে ইস্তফার অনুমতি দিয়েছেন।’