আমকুড়োতে গিয়েই সব শেষ, মাঝ নদীতেই সর্বনাশ...বজ্রাঘাতে মুর্শিদাবাদে মৃত ৩!
News18 বাংলা | ০৪ জুন ২০২৬
বজ্রাঘাতে তিন জনের মৃত্যু মুর্শিদাবাদে। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য এলাকায়৷ হঠাৎ বুধবার বিকেলে ঝড় ও বৃষ্টি শুরু হয় মুর্শিদাবাদ জেলা জুড়ে। এদিন বিকেলে মুর্শিদাবাদের দৌলতাবাদ থানার গড়াবাসা গ্রাম ও ছয়ঘরি হাসানপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রাঘাতে প্রাণ কেড়ে নিল দুজনের। পাশাপাশি ডোমকলেও বজ্রাঘাতে একজনের মৃত্যু হয়।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, দৌলতাবাদ থানার গড়াবাসা এলাকায় শসার জমিতে কাজ করতে গিয়ে মৃত্যু হয় ২৮ বছরের ইব্রাহিম শেখের৷ পাশের গ্রাম ছয়ঘরি হাসানপুর পশ্চিম পাড়ায় মৃত্যু হয়েছে এক কিশোরীর৷ জানা গিয়েছে, আমকুড়োতে গিয়ে বজ্রাঘাতে মৃত্যু হয়েছে ১২ বছরের ওই কিশোরীর৷ অন্যদিকে বাবা ছেলে একসঙ্গে মেয়ের বাড়ি ডোমকলে যাবার পথে নদীর উপরেই বাজ পড়ে মৃত্যু হয় বাবার।
এদিন ডোমকলের কুশাবাড়িয়া এলাকার কালিঘাটের ঘটনা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মৃত ব্যাক্তির নাম মাসাদুল মালিথ্যা। তার বাড়ি নদীয়ার থানারপাড়া থানার গমাখালি এলাকায়। ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকেই উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নতিডাঙ্গা গ্রামীন হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। ঘটনার পর শোকাহত পরিবার।
ঘটনার পর হাসপাতাল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে থানারপাড়া থানার পুলিশ। অন্যদিকে দৌলতাবাদের জোড়া মৃতদেহ উদ্ধার করে মানে তদন্তের জন্য মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়৷
প্রসঙ্গত, বজ্রাঘাতে নদিয়ার নাকাশিপাড়ায় মৃত ২৷ সূত্রের খবর, বজ্রাঘাতের জেরে এক যুবক এবং এক প্রোঢ়ের মৃত্যু হয়েছে৷ মাঠে কাজ করতে গিয়ে মৃত্যু হয় প্রৌঢ় এবং যুবকের৷ জানা গিয়েছে, চাষের জমিতে কৃষিকাজ করার সময় বজ্রাঘাতে মৃত্যু হল এক প্রৌঢ়ের। মৃতের নাম সুবোধ সরকার (৫২)। তিনি নাকাশিপাড়া থানার ধর্মদা এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার দুপুরে বিল্লগ্রাম এলাকায় মাঠে কৃষিকাজ করছিলেন সুবোধবাবু। সেই সময় আচমকাই বজ্রাঘাতে তিনি গুরুতর জখম হন। ঘটনাস্থলে থাকা সহকর্মীরা বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশকে খবর দেন।