• দু’টি নয়া প্রজাতির হোভারফ্লাই আবিষ্কার, নেপথ্যে রয়েছেন তিন বাঙালি বিজ্ঞানী
    বর্তমান | ০৪ জুন ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গাঙ্গেয় সমভূমি অঞ্চলে হোভারফ্লাইয়ের (ফুলের মাছি) দুটি নয়া প্রজাতি আবিষ্কার করলেন জুলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার (জেডএসআই) বিজ্ঞানীরা। এরিস্টালিনাস স্যাপফ্রিনাস (ধাতব স্যাফায়ার ব্লু রঙের জন্য) এবং এরিস্টালিনাস ব্রুনেত্তি (পতঙ্গবিদ এনরিকো অ্যাডেলেলমো ব্রুনেত্তির সম্মানে) নামে এই দু-ধরনের হোভারফ্লাইয়ের আবিষ্কারের বিষয়টি ইউরোপিয়ান জার্নাল অব ট্যাক্সোনমিতে প্রকাশিত হয়েছে। এই আবিষ্কারের নেপথ্যে রয়েছেন তিন বাঙালি বিজ্ঞানী। বৃষ্টি রায়, ঐশিক রায় এবং জয়িতা সেনগুপ্ত। মেন্টর হিসাবে ছিলেন জেডএসআইয়ের অধিকর্তা ধৃতি বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ডিপ্টেরা সেকশনের অফিসার-ইন-চার্জ অতনু নস্কর।

    হোভারফ্লাই হল হুলবিহীন বোলতা বা মৌমাছি সদৃশ মাছি। এগুলি ফুলে ফুলে মধু খাওয়ার সময় পরাগসংযোগ ঘটায়। সিরফিডা ফ্যামিলির এই পতঙ্গ অন্যান্য ক্ষতিকর পোকামাকড় খেয়েও ফসলের উপকার করে। লার্ভা অবস্থায় জৈববস্তু পচিয়ে মাটির উপকারও করে। শুধু ফসলের ক্ষেত্রেই নয়, বন্যভূমি রক্ষাতেও একই কাজ করে থাকে এই মাছি। ১৯২৩ সালের পরে হোভারফ্লাইয়ের নতুন কোনো প্রজাতি ভারতে আবিষ্কৃত হয়নি। উচ্চ প্রযুক্তির ডিএনএ বারকোডিংয়ের মাধ্যমে এই আবিষ্কার আরো একটি বিষয় পরিষ্কার করেছে যে, শুধুমাত্র রিজার্ভ ফরেস্ট বা বনাঞ্চলে নয়, জনবহুল এলাকার কৃত্রিম পরিবেশও ভালোভাবে বাঁচতে পারে এই পতঙ্গ।
  • Link to this news (বর্তমান)