• তিনবার মেক আপ বদলেছে, ঘেঁটে গিয়েছিল কাজল, সে দিন কাঁদছিল ঋতু: চৈতি ঘোষাল
    এই সময় | ০৪ জুন ২০২৬
  • বন্ধু চৈতি ঘোষাল পরিচালিত প্রথম সিনেমা বলে কথা। অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে সঙ্গে নিয়েই ‘Nevermind’-এর গল্প বলতে চলেছেন তিনি। মায়ের ‘ডেবিউ’ পরিচালনায় অভিনয় করছেন পুত্র অমর্ত্যও। পোস্টার প্রকাশ্যে আসতেই নয়া চমক। পার্কস্ট্রিটের বহু টুকরো মুহূর্ত, কিছু রাত যা না বলেও অনেক কথা বলে যায়, তেমন গল্পই তুলে ধরবে এই ছবি।

    বড় পর্দায় এর আগেও কাজ করেছেন অমর্ত্য। এই ছবিতেও চৈতির পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করেছেন অমর্ত্য। মা ও ছেলের এই সুন্দর সফরের সঙ্গী পারিবারিক বন্ধু ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। কিন্তু ‘ম্যাডাম সেনগুপ্ত’কে কী ভাবে এই সিনেমার জন্য রাজি করিয়েছিলেন চৈতি?

    পরিচালক চৈতি ঘোষাল বলেন, ‘স্ক্রিপ্ট তৈরির সময়ে মনে হয়েছিল এই গল্পটা ঋতু অভিনয় না করলে কিছুতেই হবে না। কারণ, আমি ঋতুকেই দেখেছিলাম এই গল্পে। মনে হয়েছিল সিনেমার প্রতিটা লেয়ার সবচেয়ে ভালো ঋতুই তুলে ধরতে পারবে। আমি যখন প্রথম গল্পটা বলেছিলাম, তখন ও সিঙ্গাপুরে। ঋতু গল্পটা শুনতে চেয়েছিল। কলকাতায় এসে যে দিন ও স্ক্রিপ্টটা শুনেছিল, সে দিন কিছু ফটোশুট ছিল। গল্পটা শুনতে শুনতে এতটাই একাত্ম হয়ে গিয়েছিল যে ওকে তিনবার মেক আপ বদলাতে হয়েছে। কাজল ঘেঁটে গিয়েছে। কাঁদতে দেখেছিলাম ওকে। যেটা আমার খুব বড় পাওনা।’

    ঋতুপর্ণার কাছে এই ছবি অদ্ভুত একটা সময়ের দলিল। রাতের অন্ধকার, নিয়ন আলো, নীলচে আভা অনেক কিছু বলে দিয়ে যায় নানা সময়ে। অভিনেত্রীর কথায়, ‘পার্কস্ট্রিটের সঙ্গে তো জীবনের অনেক কিছু জুড়ে। আমাদের বাড়ি রবিনসন স্ট্রিটে। ফলে ওখানেই বড় হওয়া। এই এলাকায় পা রাখলেই তাই মায়ের জন্যও একটু মন খারাপ হয়ে যায়। এই জায়গা নিয়ে সিনেমা খুব কাছের। স্ক্রিপ্টের ভিতর এমন কিছু রয়েছে, যা আমায় ধাক্কা দিয়েছে। নতুন ভাবে সিনেমাকে, জীবনকে দেখাবে ‘Nevermind’। এই সিনেমার মধ্যে কিছু একটা রয়েছে যা মানুষ খুঁজে পেতে চেষ্টা করবেন। মানুষ তাদের জীবনের অনেক খামতির প্রলেপ হয়ে উঠবে। আমরা তো আসলে রোজই প্রায় নিজেদের বলি ‘নেভারমাইন্ড’। তার পরেও আমাদের জীবন ঠিকই চলে, চলবে।’
  • Link to this news (এই সময়)