৫০ বছরের বঞ্চনা! ৩ কিলোমিটার ঘুরপথ এড়াতে যেভাবে বাঁশের সেতু বানালেন গ্রামবাসীরা, নজির এলাকায়
News18 বাংলা | ০৪ জুন ২০২৬
: দীর্ঘদিনের দাবি, তবুও মেলেনি স্থায়ী সমাধান। তাই এবার নিজেদের উদ্যোগেই যাতায়াতের ব্যবস্থা গড়ে তুললেন এলাকার মানুষ। যুবক থেকে বয়স্ক, সবাই মাথায় করে মাটি, ইট ও নির্মাণ সামগ্রী বহন করে তৈরি করছেন বাঁশের সাঁকো। বর্তমানে গ্রামবাসীরা বাড়ি বাড়ি চাঁদা সংগ্রহ করে নিজেদের শ্রমে সাঁকো নির্মাণের কাজ করছেন। গত এক সপ্তাহ ধরে টানা কাজ চলছে।
মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া থানার কোমনগর, রমনা মণ্ডলপাড়া ও সাহেবপাড়া-সহ আশপাশের গ্রামের বাসিন্দারা জানান, বাজার, স্কুল, কলেজ, ব্লক অফিস কিংবা পঞ্চায়েত অফিসে যেতে হলে তাদের দুই থেকে তিন কিলোমিটার ঘুরপথে যাতায়াত করতে হয়। অথচ ছোট ভৈরব নদী পার হলেই খুব সহজে গন্তব্যে পৌঁছনো যায়।
স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ৫০ বছর ধরে এই নদীর উপর বাঁশের সাঁকোর মাধ্যমে যাতায়াত করছেন তাঁরা। প্রতি বর্ষায় চাঁদা তুলে নতুন করে সাঁকো তৈরি করতে হয়।
একাধিকবার পঞ্চায়েত ও প্রশাসনের কাছে ব্রিজ নির্মাণের আবেদন জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত স্থায়ী সেতু তৈরি হয়নি। বর্তমানে গ্রামবাসীরা বাড়ি বাড়ি চাঁদা সংগ্রহ করে নিজেদের শ্রমে সাঁকো নির্মাণের কাজ করছেন। গত এক সপ্তাহ ধরে টানা কাজ চলছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ভোট আসে ভোট যায়, কিন্তু ব্রিজের দাবি এখনও অপূর্ণই রয়ে গেছে।
অন্যদিকে, হরিহরপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান গৌতম কুমার দাস জানান, দীর্ঘদিন জমি সংক্রান্ত জটিলতা ছিল। সেই সমস্যা মিটিয়ে নদী পর্যন্ত ঢালাই রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। বিষয়টি জেলা পরিষদকে জানানো হয়েছে এবং আগামী দিনে সেখানে ব্রিজ নির্মাণ হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।