: মুর্শিদাবাদ জেলাতে কালবৈশাখীর তাণ্ডব। বজ্রাঘাতে তিন জনের মৃত্যু মুর্শিদাবাদে। দৌলতাবাদ ও ডোমকলে দু’টি পৃথক জায়গাতে তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য এলাকায়৷ হঠাৎ ঝড় ও বৃষ্টি শুরু হয় মুর্শিদাবাদ জেলা জুড়ে। মুর্শিদাবাদের দৌলতাবাদ থানার গড়াবাসা গ্রাম ও ছয়ঘরি হাসানপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রাঘাতে প্রাণ কেড়ে নিল দু’জনের। পাশাপাশি ডোমকলেও বজ্রাঘাতে একজনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন বলেই জানা গিয়েছে। বর্তমানে আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, দৌলতাবাদ থানার গড়াবাসা এলাকায় শসার জমিতে কাজ করতে গিয়ে মৃত্যু হয় ২৮ বছরের ইব্রাহিম শেখের৷ পাশের গ্রাম ছয়ঘরি হাসানপুর পশ্চিম পাড়ায় মৃত্যু হয়েছে এক কিশোরীর৷ জানা গিয়েছে, আম কুড়োতে গিয়ে বজ্রাঘাতে মৃত্যু হয়েছে ১২ বছরের ওই কিশোরীর৷ অন্যদিকে বাবা ছেলে একসঙ্গে মেয়ের বাড়ি ডোমকলে যাবার পথে নদীর উপরেই বাজ পড়ে মৃত্যু হয় বাবার। ডোমকলের কুশাবাড়িয়া এলাকার কালিঘাটের ঘটনা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মৃত ব্যাক্তির নাম মাসাদুল মালিথ্যা। তার বাড়ি নদিয়ার থানারপাড়া থানার গমাখালি এলাকায়। ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকেই উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নতিডাঙ্গা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। ঘটনার পর শোকাহত পরিবার। ঘটনার পর হাসপাতাল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে থানারপাড়া থানার পুলিশ।
অন্যদিকে দৌলতাবাদের জোড়া মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়৷ দেহ ময়নাতদন্তের পর আজ দেহ তুলে দেওয়া হয় পরিবারের সদস্যদের হাতে। এক সঙ্গে তিনজনের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা পরিবার-সহ গ্রাম জুড়ে। তীব্র গরমে অবস্থা হাঁসফাঁস অবস্থা মুর্শিদাবাদ-সহ দক্ষিণবঙ্গের মানুষের। তার মধ্যে কিছুটা ঝড় ও বৃষ্টিতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন সাধারণ মানুষ। যদিও বজ্রাঘাতে তিনজনের মৃত্যুতে কান্নার রোল গোটা পরিবারে।