• বন্ধুত্বের উপহার, প্রথমবার সংসদে যাওয়ার সুযোগ হারিয়েও রাজ্যসভা আসন কংগ্রেসকে ছাড়লেন বিজয়
    প্রতিদিন | ০৪ জুন ২০২৬
  • কংগ্রেসের সঙ্গে তাঁর ‘বন্ধুত্ব’ যে পাকাপোক্ত এবং দীর্ঘস্থায়ী, সেটা বুঝিয়ে দিতে বড়সড় পদক্ষেপ করলেন টিভিকে সুপ্রিমো তথা তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থলপতি বিজয়। তামিলনাড়ু থেকে রাজ্যসভায় যে একমাত্র আসনটির উপনির্বাচন হতে চলেছে সেই আসনটিতে নিজের দলের কাউকে প্রার্থী না করে সেটি কংগ্রেসকে ছেড়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন বিজয়।

    আসলে আগামী ১৮ জুন তামিলনাড়ুর এক আসনে রাজ্যসভার নির্বাচন। এআইএডিএমকের এক রাজ্যসভার সাংসদ বিধায়ক পদ ত্যাগ করায় ওই আসনটি ফাঁকা হয়েছে। নিজেদের দলের প্রার্থী দিলে এই প্রথমবার সংসদে ঢোকার সুযোগ পেতেন বিজয়। আসলে বিজয়ের দল টিভিকে তৈরি হয়েছে ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের পর। আর এর মধ্যে কোনও রাজ্যসভার নির্বাচনও ছিল না। কিন্তু প্রথমবার রাজ্যসভায় যাওয়ার সুযোগ হেলায় হাতছাড়া করে সেই আসনটি তিনি জোটসঙ্গী কংগ্রেসকে উপহার দিলেন টিভিকে সুপ্রিমো।

    আসলে কংগ্রেসের সঙ্গে বিজয়ের চুক্তিও হয়েছিল তেমনই। হাত শিবির সাফ জানিয়ে দিয়েছিল, বিজয়কে তাঁরা সমর্থন করবে, এবং মুখ্যমন্ত্রী হতে যতরকমভাবে সম্ভব সাহায্য করবে। কিন্তু বদলে তামিলনাড়ু মন্ত্রিসভায় ঠাঁই দিতে হবে। রাজ্যসভা, লোকসভা, স্থানীয় নির্বাচন-সব স্তরে জোট করতে হবে। সেই শর্ত মনে করিয়ে দিতে সদ্য বিজয়ের সঙ্গে দেখা করেন পি চিদম্বরম। সূত্রের খবর, পি চিদম্বরমের সঙ্গে দেখা করার পরই ওই রাজ্যসভার আসনটি কংগ্রেসকে ছাড়তে রাজি হন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী। ওই আসনে প্রার্থী হবেন রাহুল-বিজয় বন্ধুত্বের সূত্রধর প্রবীণ চক্রবর্তী। ফলে খানিকটা অপ্রত্যাশিতভাবে একটি আসন চলে এলে কংগ্রেসের দখলে।

    অবশ্য কংগ্রেসের সঙ্গে এই বন্ধুত্বের মূল্য বিজয়কে চোকাতে হচ্ছে। রাজ্যসভার এই আসনটি হাত শিবিরের জন্য ছেড়ে দেওয়ায় সম্ভবত আগামী ৮ জুন ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে ডাক পাবে না টিভিকে। কারণ ওই বৈঠকে নিমন্ত্রণ জানানোর শর্ত হিসাবে বলা হয়েছে, যে সব দলে ন্যূনতম একজন করে সাংসদ আছেন শুধু তাঁরাই আমন্ত্রণ পাবেন। কিন্তু টিভিকে এখন অন্তত সেই শর্তপূরণ করতে পারছে না।
  • Link to this news (প্রতিদিন)