বেহালা টু বারুইপুর, আর জমবে না কালো জল! বর্ষার আগেই বড় পদক্ষেপের প্রস্তুতি মন্ত্রী অগ্নিমিত্রার
News18 বাংলা | ০৪ জুন ২০২৬
: দক্ষিণ ২৪ পরগনার শহরতলি এলাকার জল জমা সমস্যার সমাধান হবে এবার। এমন আশা করছেন স্থানীয়রা। পুজালি, মহেশতলা, বারুইপুর, বেহালা-সহ একাধিক জায়গা থেকে জল জমার সমস্যার কথা বারবার উঠে আসে। বেহালার সরশুনা কাস্টডাঙ্গা এলাকার একাংশে দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টির জমা জল এখনও সরানো যায়নি। এলাকাজুড়ে জমে থাকা জল পচে কালো হয়ে গিয়েছে, ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। বারুইপুরেও একাধিক সমস্যা হয়। ফলে এই সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা নিয়েছে নতুন সরকার। এই খবর পাওয়ার পর খুশি স্থানীয়রা।
এর মধ্যেই পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা একাধিক আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে বজবজের চড়িয়াল খাল এবং পুজালি পুরসভার লকগেট খাল পরিদর্শন করেছেন। আগামী বর্ষায় কীভাবে জমা জলের মোকাবিলা করা যাবে, তা নিয়েও আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল। কোন কোন এলাকার জল চড়িয়াল খাল ও পুজালির লকগেট খাল দিয়ে বের হয় তা জানতে চান পুরমন্ত্রী। আধিকারিকরা তাঁকে জানান, মূল খাল হল চড়িয়াল খাল। তবে মহিষগোটের কাছে এসে চড়িয়াল দু’টি ভাগে ভাগ হয়েছে। মূলত বেহালা, ঠাকুরপুকুর, ঠাকুরপুকুর মহেশতলা ব্লক, বজবজ গ্রামীণ এলাকা মহেশতলার পুরসভা ও পুজালির জল এই দু’টি খাল দিয়ে গঙ্গায় যাচ্ছে।
গত পুজোর আগে থেকে পুজালি পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের ভিতর দিয়ে যাওয়া পুজালি লকগেট খালের সঙ্গে গঙ্গার সংযোগের মুখে কয়েক কোটি টাকা খরচে কংক্রিটের স্লুইস গেট তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। এজন্য মহিষগোট, বজবজ গ্রামীণ এলাকার জল বেরনোর মুখ মাটির বাঁধ দিয়ে আটকে দেওয়া হয়েছে। এবার এই বাঁধ থাকলে জল জমে ভিতরের একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েত ও পুর এলাকা ভেসে যাবে।
সেচ দফতরের আধিকারিকরা বলেন, পাম্প বসিয়ে ভিতরের জল গঙ্গায় ফেললে তা জমবে না। মন্ত্রী বলেন, তা হলে এ জন্য যে কটা পাম্প লাগতে পারে, তা বসানোর ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি পুরমন্ত্রী এদিন বজবজের চড়িয়াল খালের লকগেট ঘুরে দেখেন। সেখানে লকগেটের ভিতর দ্রুত সাফ করার জন্য নির্দেশ দেন। ফলে এবার যে জল জমার সমস্যা অনেকটাই কমবে তা মনে করছেন সকলেই।