• দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আহত এক বাংলাদেশির মৃত্যু
    এই সময় | ০৫ জুন ২০২৬
  • দিল্লির মালব্য নগর এলাকার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে আরও এক জনের। মৃত ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক। বুধবারের ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আহত হয়েছিলেন তিনি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে ভর্তি করা হয়েছিল হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার রাতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন।

    মৃতের নাম মহম্মদ নুরুল আমিন ((৪৪)।

    এই নিয়ে ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ২২ জনের।

    এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কয়েক জন। তাঁদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা।

    বুধবারের ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক আহত হয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে তিন জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল বলেও জানিয়েছে নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন।

    বুধবার দক্ষিণ দিল্লির মালব্য নগরের  হাউজ় রানি এলাকায় অবস্থিত Flourish Stay ব্রেড-অ্যান্ড-ব্রেকফাস্ট হোটেলে আগুন লাগে। ওই বিল্ডিংয়ের নিচের তলায় একটি রেস্তোরাঁ এবং উপরের তলাগুলিতে হোটেলের ঘর ছিল।কয়েক মিনিটের মধ্যেই আগুন ও ঘন ধোঁয়া পুরো হোটেলে ছড়িয়ে পড়ে। আতঙ্কে বহু অতিথি জানালা ও বারান্দা থেকে ঝাঁপ দিতে বাধ্য হন।  ঘটনায় ১৯ জন বিদেশি-সহ ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে কয়েক জন ভারতীয় ছাড়াও মোজাম্বিক, লাইবেরিয়া, নাইজেরিয়া ও উজবেকিস্তান ও বাংলাদেশের নাগরিক রয়েছেন।

    ওই হোটেলের বিরুদ্ধে একাধিক নিয়মভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে। সরকারি অনুমোদন ছিল মাত্র ছ'টি কক্ষের জন্য, অথচ সেখানে প্রায় ২৪টি রুম তৈরি করা হয়েছিল। এছাড়াও আরও কিছু অভিযোগ উঠেছে। ওই ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে হোটেলের মালিক লভকেশ বাজাজকে। এই নিয়ে আরও তদন্ত চালাচ্ছে দিল্লি পুলিশ।

    নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন জানিয়েছে, ওই ঘটনায় আহত হয়েছিল আট জন বাংলাদেশি নাগরিক। তাঁদের মধ্যে তিন জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। তাঁদের দিল্লির বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মৃতের দেহ দ্রুততম সময়ে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া সহজতর করার কাজ করছে তারা।

    ওই হোটেলের কাছে একটি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন দু'টি পরিবারের সদস্যরা।

  • Link to this news (এই সময়)