এই সময়: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মঙ্গলবার ওয়াই চ্যানেলে ধর্নার সময়ে ঘোষণা করেছিলেন মনীষীদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনই হবে তৃণমূলের পরবর্তী কর্মসূচি। দলের ছাত্র–যুবদের গুরুত্ব দিয়ে এই কর্মসূচি পালন করার নির্দেশও দিয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে মমতা ওই দিন ঘোষণা করেন, আগামী দিনে তিনি কোথায়, কোন কর্মসূচিতে যোগ দেবেন তা সব সময়ে আগাম জানাবেন না।
ওয়াই চ্যানেলের ঘোষণা অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বিকেলে আচমকা উত্তর কলকাতায় রাজা রামমোহন রায় লাইব্রেরিতে গিয়ে মনীষীদের ছবি ও মূর্তিতে মালা দেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে মমতা বলেন, ‘মনীষীদের সম্মান জানানো এবং সর্বধর্ম সমন্বয়ের কথা বলা আমাদের এ দিনের কর্মসূচি।’ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ দোলা সেন এদিন খালি গলায় একটি গান শোনান। মদন মিত্র, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ছিলেন মমতার পাশে। তৃণমূলের কর্মীরা মনীষীদের ছবি ও মূর্তির সামনে ‘জয় বাংলা’ এবং ‘জয় তৃণমূল’ ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ’ বলে স্লোগান দেন।
উত্তর কলকাতা থেকে মমতা রেড রোডের অদূরে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে শ্রদ্ধা জানাতে যান। সেখানে যে ছোট্ট পার্কের মধ্যে নেতাজির মূর্তি রয়েছে, সেই পার্কের গেটে তালা লাগানো ছিল। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তাই মূর্তির পাদদেশে যেতে পারেননি। তিনি গেটে একটি মালা ঝুলিয়ে নেতাজিকে প্রণাম করেন। সেখান থেকে মমতা যান কালীঘাট মন্দিরে। মন্দিরের চারপাশ ঘুরে দেখে গর্ভগৃহেও প্রবেশ করেন তিনি। মমতার এই কর্মসূচিকে গুরুত্ব দিতে চায়নি বিজেপি। এ বিষয়ে রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায়কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘যেখানে ইচ্ছা উনি ঘুরতে পারেন। এ নিয়ে কারও কোনও উৎসাহ নেই।’