পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ শেখ শামসুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করল NIA। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দাউদপুরের বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। শামসুলের বিরুদ্ধে বোমাবাজিতে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে বলে সূত্রের খবর।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, কাঁথিতে নির্বাচনের সময়ে কাঞ্চননগর দিদারউদ্দিন হাইস্কুলের সামনে ব্যাপক বোমাবাজির অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় মামনি জানা নামে এক বিজেপি নেত্রী-সহ পদ্মশিবিরের বেশ কয়েক জন কর্মী-সমর্থক জখম হয়েছিলেন। ঘটনার পরেই নন্দীগ্রাম থানায় শামসুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন মামনি।
তদন্ত শুরু করে নন্দীগ্রাম পুলিশ। কিন্তু তাঁরা শামসুলকে গ্রেপ্তার করেননি বলেই অভিযোগ। এর পরেই বোমাবাজির ঘটনায় NIA তদন্ত চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন মামনি। সেই মামলাতেই NIA তদন্তের অনুমতি দেওয়া হয়। এর পরেই কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার একটি দল পৌঁছয় নন্দীগ্রামে।
তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার মাঝরাতে শুরু হয় অভিযান। দাউদপুর ঘিরে ফেলে NIA এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। সেই সময়ে দাউদপুরে নিজের বাড়িতেই ছিলেন শামসুল ইসলাম। সেখান থেকেই তাঁকে গ্রেপ্তার করেন তদন্তকারীরা।
শুধু বোমাবাজি নয়, শামসুলের বাড়িতে বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটেছিল গত এপ্রিলে। উদ্ধার হয়েছিল বেশ কিছু তাজা বোমাও। সিঁড়ির তলায় একটি পলিথিনে মোড়া সন্দেহজনক প্যাকেট ছিল। সেটা সরাতেই জোরালো বিস্ফোরণ ঘটেছিল।
অন্য দিকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ের তৃণমূল নেতা তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লার খোঁজেও ব্যাপক তল্লাশি চালাচ্ছে NIA। তাঁর বাড়ি এবং দলীয় কার্যালয়েও অভিযান চালিয়েছেন তদন্তকারীরা। তবে এখনও পর্যন্ত শওকতের হদিশ মেলেনি। প্রাথমিক ভাবে তাঁর পুত্র ইমরান মোল্লাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।