• শপথের পর এলাকায় পা রাখলেন মন্ত্রী দিবাকর ঘরামি, বাঁধভাঙ্গা উচ্ছ্বাস... ডঙ্কা বাজিয়ে স্বাগত
    News18 বাংলা | ০৫ জুন ২০২৬
  • শপথগ্রহণের পর নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে পা রাখলেন মন্ত্রী দিবাকর ঘরামি। তাঁকে স্বাগত জানাতে এদিন এলাকা উৎসবের চেহারা নেয়। কলকাতা থেকে ফেরার পথে সোনামুখী বিধানসভা এলাকায় পড়ে রসুলপুর। বিধায়কের বাড়ি থেকে সোনামুখী হয়ে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরত্বে। সেখানেই কর্মী-সমর্থকদের ঢল নামে, ঢাকের বাদ্যি আর ফুল-মালায় বরণ করে নেওয়া হয় মন্ত্রীকে। শপথগ্রহণের পর প্রথম নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে পা রাখতেই কর্মীদের ভালবাসায় আপ্লুত মন্ত্রী।

    বৃহস্পতিবার বিকেলে রসুলপুরে রাজ্য সড়কে মন্ত্রীর কনভয় পৌঁছাতেই শুরু হয় উচ্ছ্বাস। হাজার হাজার দলীয় কর্মীর স্লোগানে মুখরিত হয় এলাকা। পথের দু’ধারে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষও ফুল ছিটিয়ে, শঙ্খ বাজিয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা জানান। কখনও পায়ে হেঁটে কখনো, হুড খোলা গাড়িতে শুরু হয় মিছিল পাশাপাশি শুরু হয় বাইক র‍্যালি। বাইক র‍্যালি মন্ত্রীকে নিয়ে কাকরডাঙা হয়ে সোনামুখী এবং সোনামুখী থেকে নিত্যানন্দপুর মিনি মার্কেটে এসে পৌঁছায়। সাধারণ মানুষ তাঁকে গলায় ফুলের মালা এবং উত্তরীও দিয়ে স্বাগত জানান। কর্মীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, “আপনাদের ভালবাসা ও আশীর্বাদেই আজ আমি এই জায়গায়। শপথ নিয়েছি, এলাকার উন্নয়নই হবে আমার প্রথম ও শেষ কাজ। রাস্তা, পানীয় জল, স্বাস্থ্য—কোনও ক্ষেত্রেই মানুষকে অভিযোগ করার সুযোগ দেব না। আপনারা পাশে থাকলে আগামী ৫ বছরে এই বিধানসভা কেন্দ্রে উন্নয়নের ঝড় তুলব।”

    এরপরেই সেখান থেকে মন্ত্রী প্রবেশ করেন নিজের গ্রাম কুরুমপুরে। সেখানেও গ্রামবাসীদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস। মন্ত্রী গ্রামে পা রাখতেই আতশবাজির শব্দ এবং আলোয় আলোকিত হয় এলাকা। যেহেতু তিনি উদ্বাস্তু মতুয়া পরিবারের সন্তান, তাই অন্য বাদ্যযন্ত্রের সঙ্গে শোনা যায় ডঙ্কার আওয়াজ। উলু ও শঙ্খ ধ্বনির মধ্যে দিয়ে মুখরিত হয় এলাকা। পুষ্পবৃষ্টি, ফুলের মালা পরিয়ে গ্রামবাসীদের পাশাপাশি তাঁর বাবা-মাও বরণ করে নেন মন্ত্রীকে। করানো হয় মিষ্টিমুখ। এরপরেই মন্ত্রী হাঁটু গেড়ে মাটিতে বসে নতমস্তকে প্রণাম করেন বাবা-মাকে।
  • Link to this news (News18 বাংলা)