জলপাইগুড়ির দক্ষিণ বেরুবাড়ি সীমান্তে প্রহরারত অবস্থায় বজ্রাঘাতে মৃত্যু হল বিএসএফ জওয়ানের। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সীমান্তে টহল দেওয়ার সময় বাজ পড়ে গুরুতর জখম হন ১৩০ নম্বর ব্যাটালিয়নের মহাদেব বর্ডার আউটপোস্টে কর্তব্যরত বিএসএফ জওয়ান মহম্মদ তায়েব হোসেন। অসমের বাসিন্দা মহম্মদ তায়েব হোসেন। সীমান্তে প্রহরারত বাকি জওয়ানরা উদ্ধার করে হলদিবাড়ি হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
দু-দিন আগেই গৃহনির্মাণের কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় এক যুবকের। মৃতের নাম শঙ্কর কয়াল, বাড়ি এক নম্বর জালাবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের গঙ্গাধর পল্লী এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল দুপুরে শঙ্কর কয়াল নিজের বাড়িতে ইলেকট্রিক চালিত মেশিন দিয়ে রড কাটছিলেন। সেই সময় আচমকা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন তিনি। পরিবারের লোকজন সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে উদ্ধার করে জয়নগর-কুলতলি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে কুলতলি থানার পুলিশ হাসপাতালে পৌঁছে মৃতদেহ নিজেদের হেফাজতে নেয়।
আগেও বজ্রাঘাত ও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পৃথক ঘটনায় মৃত্যু হয় দুই ব্যক্তির। সেটি ছিল পুরুলিয়ার ঘটনা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরুলিয়া মফস্বল থানার হুটমুড়া গ্রামের বাসিন্দা শেখ রেহমাত উল্লাহ প্রতিদিনের মতো মাঠে গবাদি পশু চরাতে গিয়েছিলেন। হঠাৎই আকাশ কালো করে নেমে আসে প্রবল ঝড়-বৃষ্টি। এরই মধ্যে বিকট শব্দে বাজ পড়ে মাঠে। গুরুতর আহত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। পরিবারের সদস্য ও গ্রামবাসীরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে পুরুলিয়া দেবেন মাহাতো গভর্নমেন্ট মেডিক্য়াল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।