• বিধানসভার পরে এ বার ‘মিশন লোকসভা’? তৃণমূল সাংসদ কাকলির বিস্ফোরক পোস্ট ঘিরে জল্পনা
    এই সময় | ০৫ জুন ২০২৬
  • বিধানসভায় তৃণমূলের পরিষদীয় দল ভেঙে খানখান হয়ে গিয়েছে। জোড়াফুলের বহিষ্কৃত নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে জোট বেঁধেছেন প্রায় ৫৮ জন বিধায়ক। কার্যত তাঁরাই নিজেদের ‘আসল তৃণমূল’ বলে দাবি করছেন। এ বার লোকসভাতেই সেই রকমই কিছু অপেক্ষা করছে? শুক্রবার তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের একটি পোস্ট ঘিরে তেমনই জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

    চার দশকেরও বেশি সময় ধরে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গী কাকলি। ছাব্বিশের নির্বাচনের ফল প্রকাশের আগে পর্যন্ত তিনি ছিলেন লোকসভার মুখ্য সচেতক। কিন্তু নির্বাচনে ভরাডুবির পরে আচমকাই তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এখান থেকেই দলের সঙ্গে তাঁর সংঘাতের শুরু।

    এর মধ্যেই এ দিন X পোস্টে ব্যক্তি স্বার্থের চেয়ে বৃহত্তর স্বার্থের কথা বললেন কাকলি। তিনি যে নিজের স্বার্থের জন্য রাজনীতি করেন না, সেটাই এ দিনের X পোস্টে বোঝাতে চেয়েছেন কাকলি। তিনি লিখেছেন, ‘রাজনৈতিক পরিবারের চার বারের সাংসদ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে চার দশক ধরে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়েছি।’ তিনি সরাসরি লিখেছেন, ‘এটা নীতির নয়, শাসনের ব্যর্থতা।’

    কাকলি দলের নাম উল্লেখ না করলেও রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, তৃণমূলের দিকেই ইঙ্গিত করতে চেয়েছেন তিনি। বোঝাতে চেয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতি এবং দলীয় টানাপড়েনের জন্য দায়ী শাসনের ব্যর্থতাই।

    আগামী রবিবার তৃণমূলের লোকসভার সাংসদরা বৈঠকে বসছেন বলে সূত্রের খবর। তার পরেই তাঁরা লোকসভার স্পিকারের কাছে চিঠি জমা দিতে পারেন। সেখানেই লোকসভার নতুন দলনেতা হিসেবে তাঁর নাম প্রস্তাব করা হতে পারে। যদিও এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে কোনও মন্তব্য করেননি কাকলি।

  • Link to this news (এই সময়)