• দীর্ঘ ‘অসুস্থতা’, এবার ইস্তফা কাটোয়া পুরসভার চেয়ারম্যানের
    প্রতিদিন | ০৫ জুন ২০২৬
  • শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া পুরসভার পুরপ্রধানের পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে ইস্তফাপত্র জমা দিলেন কমলাকান্ত চক্রবর্তী। শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া মহকুমা শাসকের দপ্তরে তিনি তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দেন। একইদিনে পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের পুরসদস্য গুণেন চট্টোপাধ্যায় এবং ১২ নম্বর ওয়ার্ডের পুরসদস্য ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়ও সদস্যপদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

    তিন জনের একযোগে পদত্যাগের ঘটনায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে চর্চা শুরু হলেও ইস্তফা জমা দেওয়ার পর তাঁরা প্রত্যেকেই দাবি করেন, সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত কারণেই নেওয়া হয়েছে। পুরপ্রধান কমলাকান্ত চক্রবর্তী বলেন, ‘‘আমার শারীরিক অবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই ভালো নয়। অসুস্থতার কারণে পুরপ্রধানের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারছি না। তাই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’’ অন্যদিকে, পুরসদস্য ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায় জানান, শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি এক ধরনের আতঙ্কও তাঁর সিদ্ধান্তের পিছনে কাজ করেছে। গুণেন চট্টোপাধ্যায়ও শারীরিক অসুস্থতার পাশাপাশি পারিবারিক সমস্যার কথা উল্লেখ করে সদস্যপদ ছাড়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেন।

    তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত ২০ ওয়ার্ডের কাটোয়া পুরসভায় দলের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে পুরপ্রধানের পদত্যাগের খবর সামনে আসতেই দলের অন্দরে আলোচনা শুরু হয়। সূত্রের খবর, দলের একাধিক পুরসদস্য কমলাকান্তবাবুকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানান। তাঁকে পাশে থাকার আশ্বাসও দেওয়া হয়। তবে পুরপ্রধান স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তিনি তাঁর সিদ্ধান্তে অনড়। তবে দিনের শেষে পরিস্থিতিতে কিছুটা বদল আসে। গুণেন চট্টোপাধ্যায় এবং ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায় তাঁদের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে আপাতত পুরপ্রধানের ইস্তফাকেই ঘিরে জল্পনা অব্যাহত রয়েছে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)