: ফ্রেজারগঞ্জে বায়ুকলগুলি প্রাণ ফিরে পাবে এবার। অদূর ভবিষ্যতে এর ডানাগুলিকে ঘুরতে দেখবে পর্যটকরা। বর্তমানে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নষ্ট হয়ে গিয়েছে ফ্রেজারগঞ্জের বায়ুকল। বায়ুস্তম্ভের কোনওটার পাখা ভেঙে আছে, কোনওটাতে মরচে ধরেছে। ফলে ব্যাহত হচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদন। দীর্ঘদিন ধরে বাতাস কলগুলি অব্যবহৃত থাকায় ক্রমশ অকেজো হয়ে পড়ছে সেগুলি। এই বায়ুকলগুলি এখন পর্যটকদের কাছে ছবি তোলার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
যদিও কেন্দ্রীয় সরকার অপ্রচলিত শক্তি উৎপাদনের উপর জোর দিচ্ছে। তাছাড়া উপকূলীয় এলাকার জন্য এই বিদ্যুৎ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ফলে এই বায়ুকল চালানোর জন্য উচ্চ পর্যায়ে কথা বলার আশ্বাস দিয়েছেন সাগরের বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল। অপ্রচলিত শক্তি বিকাশ সংস্থার (ওয়েবরেডা) উদ্যোগে প্রায় বছর ২৫ আগে বকখালি ও ফ্রেজারগঞ্জে সৈকতের একেবারে কাছে বসানো হয় আটটি বাতাস কল। প্রথম প্রথম সব ঠিকঠাক চলছিল। এক একটি বায়ুকল থেকে ২৫০ কিলোওয়াট করে বিদ্যুৎও উৎপাদন হচ্ছিল। কিন্তু এখন সেসব আজ অতীত। স্থানীয়রা এই প্রকল্প থেকে অনেক উপকার পেতেন। এখানে বিদ্যুতের সমস্যা প্রবল। এই বায়ু কল চালু থাকলে সেই সমস্যা দূর হত। এখান থেকে বিদ্যুৎ গ্রিডে যাওয়ার কথাও ছিল।
বায়ুকল চালু করে আবারও এখানে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হোক বলে দাবি স্থানীয়দের। কী কারণে এমন হল তা তারা বুঝতে পারছেন না তাঁরা। এই বায়ু কল চালু করার জন্য বিভিন্ন জায়গায় জানিয়েও এতদিন কোনও কাজ হয়নি। এখন দেখার এই বায়ুকলগুলি নিয়ে ভবিষ্যতে কী চিন্তাভাবনা করে সরকার।