সন্দেশখালির বিভিন্ন এলাকায় হানা রাজ্য পুলিশের এসটিএফের। সরবেড়িয়া, আকুঞ্জিপাড়া, বাসন্তী, কুমড়োখালিতে এসটিএফের হানা। প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার পুলিশের। শনিবার সকালে এ নিয়ে এক্স হ্যান্ডলে পোস্টও করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
শেখ শাহজাহানের ডেরায় রাজ্য পুলিশের অভিযান, উদ্ধার বিপুল পরিমাণে অস্ত্র। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সন্দেশখালির সরবেরিয়ায় হানা দেয় রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স ও বসিরহাট জেলা পুলিশ। তাদের যৌথ অভিযানে সরবেড়িয়া বাজার সংলগ্ন একাধিক এলাকার বিভিন্ন গোপন ডেরা থেকে এখনও পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে ১৭টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৩৫ রাউন্ড গুলি।
অস্ত্র উদ্ধার কাণ্ডে মণিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান প্রসেনজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়েরও বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁর বাড়িতেও চলে তল্লাশি। এলাকায় প্রসেনজিতের পরিচিতি শাহজাহানের অত্যন্ত কাছের লোক হিসেবে।
শনিবার সকালে সন্দেশখালির মণিপুরে হানা দেয় এসটিএফ। তৃণমূল নেতা রবীন দাস ও তাঁর ভাই গোপাল দাসের বাড়িতে যায় তারা। এর পরেই তাঁদের পুকুরে মেলে প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র। চাদরে করে সেই সব অস্ত্র নিয়ে যান তদন্তকারীরা।
এসটিএফ টিমের সঙ্গে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীও। এ দিকে এই ঘটনার পর থেকেই বেপাত্তা রবীন ও গোপাল। গোপাল ও রবীনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের অভিযোগ। রাজনৈতিক ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে এলাকায় স্বেচ্ছাচার চালাতেন ‘দাস ব্রাদার্স’। বেঙ্গল এসটিএফের তরফে জানানো হয়েছে, এ দিনের অভিযানে বিভিন্ন এলাকা থেকে এখনও পর্যন্ত ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ দিন সকাল থেকে চার জায়গায় তল্লাশি অভিযান চলে। সঙ্গে ছিল বারাসত পুলিশ জেলার টিমও। ১৮টির বেশি অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। গ্রেপ্তার ৬ জন। এসটিএফের তরফে খবর, ধৃতদের সকলেই শেখ শাহজাহান ঘনিষ্ঠ। এসটিএফের বড় সাফল্যের জন্য পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।