একটি আবাসিক স্কুলের হস্টেলের শৌচালয় থেকে উদ্ধার এক পড়ুয়ার দেহ। ওই পড়ুয়া প্রথম শ্রেণির এক ছাত্রী বলে সূত্রের খবর। শনিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার কৃষ্ণনগরে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার পুলিশ। তারা ওই পড়ুয়ার দেহ উদ্ধার করে স্থানীয় হাসাপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে ওই খুদে পড়ুয়ার মৃত্যুর আসল কারণ এখনও জানা যায়নি। ঘটনায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, কৃষ্ণনগরের ওই আবাসিক বিদ্যালয়টি দশম শ্রেণি পর্যন্ত। মৃত পড়ুয়ার বয়স মাত্র সাত। সে কৃষ্ণনগরের কোতোয়ালি থানা এলাকার রুদ্ধদহ সোনাতলা পূর্ব পাড়ার বাসিন্দা। তার মা কর্মসূত্রে ভিন রাজ্যে থাকেন। ওই খুদে পড়ুয়ার দেখাশোনা করতেন বাবা।
শনিবার হস্টেলের শৌচালয়ে ছাত্রীটিকে পড়ে থাকতে দেখেন হস্টেলের ওয়ার্ডেন। খবর দেওয়া হয় স্কুল কর্তৃপক্ষকে। তাঁরাই খবর দেন পুলিশে। এর পরে দেহ উদ্ধার করে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে এ বিষয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
মৃত পড়ুয়ার বাবার অভিযোগ, তাঁর মেয়েকে খুন করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমার মেয়ে হস্টেলে থাকত। আমাকে ফোন করে বলা হয় হস্টেলে তাড়াতাড়ি আসার জন্য। আমি বার বার জিজ্ঞেস করেছিলাম কী হয়েছে। কিন্তু বলা হয়নি।’
তবে পড়ুয়ার মৃত্যুর আসল কারণ এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে দেহ। কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) সম্ভব জৈন জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।