জেলমুক্তি হল না। ফের জেল হেফাজতেই তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক অসিত মজুমদার। এবার তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণের চেষ্টা ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ সামনে এল। ওই অভিযোগের তদন্ত শুরু করছে পুলিশ। চুঁচুড়া পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এক যুবতী অসিত মজুমদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। ঘটনা এবার প্রকাশিত হতে এলাকায় জোর চর্চা, গুঞ্জন উঠেছে।
গত ৩০ মে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হেনস্থার অভিযোগে প্রতিবাদে চুঁচুড়ায় রাস্তা অবরোধ করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন বিধায়ক অসিত মজুমদার ও দলের কর্মীরা। সেই প্রতিবাদ কর্মসূচির নেতৃত্বে ছিলেন অসিত। পুলিশ ওই বিক্ষোভ তুলতে ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। কিন্তু পুলিশকে কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তাঁদের বিরুদ্ধে। পুলিশকে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগও ওঠে! ওই ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে চুঁচুড়া থানার পুলিশ। অসিত মজুমদার-সহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। অসিত মজুমদার, চুঁচুড়ার ভাইস চেয়ারম্যান পার্থ সাহা ও তৃণমূল নেতা মির্জা সানোয়ারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারক। এদিকে ২০২৩ সালের একটি ধর্ষণের চেষ্টার মামলা যুক্ত হয়েছে অসিত মজুমদারের বিরুদ্ধে। শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। এলাকার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এক যুবতী অসিত মজুমদারের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করেছেন। এছাড়াও তোলাবাজির অভিযোগও উঠেছে। গতকাল, শুক্রবার আদালতে তোলা হয়েছিল অসিতদের। আদালত ৭ জনকে জামিন দিলেও অসিত মজুমদার, পার্থ সাহা ও মির্জা সানোয়ার আলির জামিন মঞ্জুর হয়নি। অসিত মজুমদারের বিরুদ্ধে নতুন করে মামলা হওয়ায় ফের তাঁকে জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালত তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয়। আগামী ১৯ জুন ফের এই মামলার শুনানি হবে। আদালত থেকে জেলে যাওয়ার পথে অমিত মজুমদার বলেন, “ভগবান আছে, ঠিকই বিচার হবে। কিছু বলার ভাষা নেই। বিচার ব্যবস্থা আছে, সব দেখবে।”