• গায়ে গামছা জড়ানো, তৃণমূল নেতাকে টানতে টানতে পুলিশের কাছে নিয়ে গেল জনতা, উঠল ‘চোর’ স্লোগানও
    এই সময় | ০৬ জুন ২০২৬
  • গায়ে কোনও জামা নেই। শুধু গামছা জড়ানো। সেই অবস্থায় ধুঁকতে থাকা এক তৃণমূল নেতাকে টানতে টানতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে পুলিশের কাছে। আর পিছনে জনতায় গলায় ‘চোর’ স্লোগান। সমাজমাধ্যমে প্রকাশ্যে আসা এমনই একটি ভিডিয়ো ঘিরে শোরগোল পড়েছে। সেটির সত্যতা এই সময় অনলাইন যাচাই করেনি। তবে ভিডিয়োতেই অনেককে বলতে শোনা গিয়েছে, ওই তৃণমূল নেতার নাম তাপস চক্রবর্তী, যিনি হুগলির চুঁচুড়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদারের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। ঘটনাচক্রে, অসিতকেও সম্প্রতি গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, তাপস নামে ওই তৃণমূল নেতাকে মগড়া থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রাস্তা দিয়ে তাঁকে টানতে টানতে নিয়ে যাওয়ার সময়ে ঘটনাস্থলে দু’-একজন পুলিশকর্মীও উপস্থিত ছিলেন। চুঁচুড়া-মগড়া ব্লকের তৃণমূল সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সমিতির বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ তাপসের বিরুদ্ধে তোলাবাজি থেকে গুন্ডামি, নানা অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বিজেপি নেতা সন্দীপ সাঁধুখার দাবি অভিযোগ, এসআইআর পর্বে স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের মারধরও করেছিলেন তাপস। যদিও বিকেল ৫টা পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, তাপসের বিরুদ্ধে মগড়া থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। পুলিশ সূত্রে খবর, কোনও এফআইআর-ও দায়ের হয়নি।

    স্থানীয় সূত্রে খবর, শনিবার দেবানন্দপুর পঞ্চায়েতের কাজিডাঙা এলাকায় তাপসের বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন অনেকে। অভিযোগ, পরে তাঁকে বাড়ি থেকে টেনে বার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, তাপসকে আপাতত মগড়া থানায় রাখা হয়েছে। অভিযোগ দায়ের হলে আইনানুগ পদক্ষেপ করা হবে।

    রাজ্য তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি প্রিয়াঙ্কা অধিকারী বলেন, ‘আমি ভিডিয়োটা দেখেছি। যদি কারও বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট কোনও অভিযোগ থাকে, পুলিশ পদক্ষেপ করতেই পারে। কিন্তু সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্ট বলেছে, এ ভাবে কাউকে টেনে নিয়ে যাওয়া যায় না। তার পরেও বিজেপির লোকেরা এগুলো করছেন। এটা সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক।’

  • Link to this news (এই সময়)