TMC সাংসদদের ভাঙনের জল্পনা, দল বাঁচাতেই কি দিল্লিতে অভিষেক?
আজ তক | ০৭ জুন ২০২৬
তৃণমূলের বিধানসভার ঘর ভেঙেছে। এবার টার্গেটে লোকসভাও। সাংসদদের ধরে রাখতে তড়িঘড়ি দিল্লি ছুটলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটে হারের পর ইতিমধ্যে বিদ্রোহী হয়েছেন ৫৮ জন বিধায়ক। এই বিদ্রোহী দলের থেকে বিরোধী দলনেতা হয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্র মতে, বেশ কয়েকজন তৃণমূল সাংসদ বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। দলত্যাগের ঘোষণা করে তাদের সঙ্গে হাত মেলাতে পারেন বলেও জল্পনা চলছে।
সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে বিদ্রোহী সাংসদ দল তৈরি হওয়ার জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। আগামী ৮ জুন দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের 'হাই ভোল্টেজ' বৈঠক রয়েছে। বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অংশগ্রহণ করবেন বলে আলোচনা চলছে।
ভোটের ফল বেরনোর পর কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে চিফ হুইপের পদ থেকে সরানোর পরই বিদ্রোহী হন তিনি। প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বৈঠকে তাঁকে দেখা যায়নি। এদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ডাকা প্রশাসনিক বৈঠকে হাজির হয়েছিলেন তিনি।
দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকের আগে প্রদেশ কংগ্রেসের তরফে প্রতিক্রিয়া আসে। তাতে জানানো হয়, বিজেপি বাংলায় একটি 'ছায়া তৃণমূল' তৈরি করেছে। পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সভাপতি শুভঙ্কর সরকার শনিবার বিজেপি এবং তৃণমূল কংগ্রেস উভয়ের বিরুদ্ধেই তীব্র আক্রমণ করে অভিযোগ করেছেন। বলেছেন, বিজেপি 'ছায়া তৃণমূল' তৈরি করে রাজ্যের বিরোধী রাজনীতিকে দুর্বল করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সরকার দাবি করেন, বছরের পর বছর ধরে বিরোধী তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিভাজন ও ভাঙন বিজেপির পরোক্ষ মদদেই ঘটেছে। তাঁর মতে, বিজেপি নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে একটি সমান্তরাল বা ‘ছায়া’ তৃণমূলের উত্থানকে উৎসাহিত করেছে।
আগামী ৮ জুন দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক প্রসঙ্গে বলেন, বিরোধী জোটের মুখ হিসেবে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর প্রাধান্য বেড়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর অবস্থান হারিয়েছেন।